সিরাজদিখানে ৫৭ধারার মামলায় সাংবাদিক গ্রেপ্তার নেপথ্যে প্রভাবশালী অপরাধ চক্র

0
1656

মোঃ আহসানউল্লাহ হাসান ঃ
মুন্সিগঞ্জর সিরাজদিখানের শেখরনগর প্রাচীনতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রায় বাহাদুর শ্রীনাথ ইনস্টিটিউশনকে ঘিরে চলেছ হরি-লুটের কারখানা। বিশাল আয়তনের বিদ্যাপিঠটি ১৪ শত ছাত্র-ছাত্রী ও ৩৪ জন শিক্ষক নিয়ে চললেও, প্রধান শিক্ষকসহ একটি দুর্নীতিবাজ চক্ররের অর্থ আয়ের নিজস্ব প্রতিষ্ঠানে পরিনত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানকে ঘিরে চলছে ১০০ শত বছর পূর্তি পালন অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি। বিদ্যালয়টির মধ্যে লাগামহীন বেতন, ভর্তিফি সহ কারনে-অকারনে প্রায়শই ছাত্র-ছাত্রীদের নিকট হতে চাদাবাজীর গুরুতর অভিযোগ দীর্ঘ দিনের। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে বানিজ্যক প্রতিষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শিক্ষাকে পণ্য হিসেবে বিক্রী করার মানসে নিয়াগ দেওয়া হয়েছে, একজন প্রতারক ও মাদক ব্যবসায়ীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দাতাকে। বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক বাবু বিশ্বনাথ তালুকদার অপকর্মে বিশ্ব রেকর্ড গড়লেও, তাকেই নিয়োগ দিয়েছেন ম্যানেজিং কমিটির সভাপিত আনোয়ার হোসেন বেলু। বেলুর বিরুদ্ধে রয়েছে সরকারী বালু আত্মসাৎ, জমি দখল, সংখ্যা লঘুদের বাড়ি দখলসহ বিপুল পরিমান স¤পদ অর্জনের অভিযোগ। গত ২ জুলাই অপরাধ ভিত্তিক অনলাইন নিউজ পোর্টাল বিডি জাতীয় নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকমে প্রকাশিত একটি সংবাদকে কেন্দ্র করে স্থানীয় সাংবাদিককে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলে প্রেরণ করে অপরাধ চক্র। সিরাজদিখানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিশ্বনাথের হরি-লুট, স্কুল কমিটি প্রতারণায় একজোট শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের জের ধরে সাংবাদিক গিয়াস খানকে মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার করে পুলিশ। প্রকাশিত সংবাদটি বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটি মুন্সিগঞ্জ জেলা শাখার পেইজে শেয়ার করায় গিয়াস খানের বিরুদ্ধে এ হুলিয়া। সিরাজদিখান ফাড়ি ইনচার্জ আমিনুল সংবাদ প্রকাশ না করতে নিষেধ করেন গিয়াস খানকে, অথচ সংবাদটি মাহমুদুল হাসানের নিজ নামে প্রকাশিত হয়। প্রকাশিত সংবাদে প্রধান শিক্ষক বিশ্বনাথকে ধর্ষক ও মাদক ব্যবসায়ীদের সহযোগী বলা হলে তিনি সিরাজদিখান থানায় তথ্য প্রযুক্তি আইনের তুমুল বির্তকৃত আইনের ৫৭ ধারায় মামলা দায়ের করেন। মামলার এজাহারে বিশ্বনাথ অভিযোগ করেন তাকে ধর্ষণকারী বলা হয়ছে যা স¤পূর্ণ মিথ্যা। প্রকৃত পক্ষে সংবাদে তাকে ধর্ষকেদের আশ্রয় দাতা বলা হয়। প্রমান স্বরুপ তার আপন ভাতিজা আশুতোষ তালুকদার ২০০৬ সালের ৬ আগষ্ট পার্শ্ববর্তী দুলাল তালুকদারের মেয়ে ৭ম শ্রেণীতে পড়–য়া জনতা তালুকদারকে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় পুলিশ ও স্থানীয় মোড়লরা শালিশ বৈঠক ডেকে ১লাখ ৭৫ হাজার টাকা জনতার বিবাহের জন্য ধার্য করে ধর্ষণ ঘটনার সমাপ্তি দিলেও দিনের পর দিন ধর্ষকদের পিছু ঘুরে টাকা পাবে তো দূরে থাক উল্টো বিশ্বনাথের লোকজনের হাতে লাঞ্চিত হয়ে জনতার পিতা দুলাল তালুকদার ২০০৭ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারী আত্মহত্যা করে। এ ঘটনায় দুলালের ভাই থানায় মামলা করতে গেলে একটি অপমৃত্যু মামলা গ্রহন করে থানা-পুলিশ যার নং-০৩/২০০৭ তাং-২৫/০২/২০০৭। পরের দিন ঘটনাটি বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ার পর দুটি সাংস্কৃতিক সংগঠন “নিবেদন” ও “ক্রান্তি” তদন্ত করে সংবাদ সম্মেলনে বিশ্বনাথের বিশ্ব বেহায়া চরিত্র তুলে ধরে।অন্যদিকে ধর্ষক আশু তালুকদার ও বিশ্বনাথ তালুকদারসহ ৬ জনেক আসামী করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১০ ও দন্ডিবিধির ৩০৬ ধারায় সিরাজদিখান থানায় ২৭/০২/২০০৭ সালে একটি মামলা দায়ের করা হয়, যার নং-১০। তৎকালীন সময় ওসির বক্তব্য ছিল মেয়ের সাথে প্রেম ছিল সে কারনে একটু-আধটু শ্লীতাহানি ঘটছে, এটা তেমন কিছু নয়। ওসির বক্তব্যের মধ্যে শ্লীতাহানির কথা স্বীকার করলেও ভন্ড ওসি সে কিছু নয় বলে জানিয়েছিলেন। সিরাজদিখান থানার বর্তমান ওসি ইয়ারদৌস হাসান তারই সুত্র ধরে একজন সাংবাদিককে মিথ্যা মামলায় জেলে প্রেরণ করে। মামলার এজাহারের সাথে ঘটনার কোন ¯পষ্ট মিল নেই দেখার পরেও মিথ্যা মামলা নিয়ে বিশ্বনাথ গংদের পূর্ব ইতিহাস ফের জাতির সামনে আনলেন। বিদ্যালয়টিকে বিশ্বনাথ ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্যরা বাপ-দাদার পৈতিৃক স¤পত্তি মনে করে বিদ্যালয়ের ভবন নির্মানের বদলে ব্যবহার্য টয়লেট ভেঙ্গে কোটি টাকা ব্যয়ে মার্কেট নির্মাণের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে নিচ্ছে। বিদ্যালয়ের অধীনে ৭৫ টি দোকান নিজেদের মধ্যেই ভাগ-ভাটোয়ারা করেছেন বিশ্বনাথ কমিটি। বিডি জাতীয় নিউজের প্রতিবেদনে বিশ্বনাথ কে পান বিক্রেতা, স্কুলের কেরানী, বিধিমালা লঙ্গণ করে প্রধান শিক্ষক হওয়া, ১২ জন যোগ্য প্রার্থী থাকার পরও সভাপিত আনোয়ার হোসেন বেলুর স্বার্থে তাকেই প্রধান শিক্ষক করা, ভর্তির নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায়, পহেলা বৈশাখসহ বিদ্যালয়ের মাঠে মেলা হতে কোটি টাকা চাদাবাজীর অভিযোগ আনলেও, এজাহারে তার কোন বর্ণনা নাই। এতে ¯পষ্ট প্রমান হয়ে যায়, সাংবাদিক মাহমুদুল হাসানের করা প্রতিবেদনটি স¤পূর্ণ সত্যের উপর দাড়িয়ে যাওয়ায়, স্থানীয় সাংবাদিক গিয়াস খানকে মিথ্যা মামলায় ফাসিয়ে সাংবাদিক সমাজকে ভয় দেখানোই তাদের উদ্দেশ্য। তাছাড়া ৬ বছর ধরে স্কুলের  অডিট হয়না বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। গতানুগতিক নিয়মে প্রকাশিত সংবাদের বিরুদ্ধে গণমাধ্যমে প্রতিবাদ দিতে হয়। প্রতিবাদ প্রকাশ না হলে আইনী নোটিশ প্রদানের মধ্য দিয়ে সংশ্লিষ্ট পত্রিকা/অনলাইন/টিভির বিরুদ্ধে মামলা করার বিধান রয়েছে। সিরাজদিখান থানা পুলিশ কোন তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিত ৫৭ ধারায় মামলা গ্রহন করেছেন তার কোন সঠিক উত্তর দিতে পারেননি। প্রতারক বিশ্বনাথ নকলসহ হাতে নাতে গ্রেপ্তার হওয়ার পরও বহাল তবিয়তে প্রধান শিক্ষকের চেয়ারে দানবের আকৃতি নিয়ে বসে আছে। তার বিরুদ্ধে ধর্ষণ ঘটনায় আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়ার অভিযোগের বিষয় আমল যোগ্য না হলেও সে নিয়মিত ধর্ষণ করে যাচ্ছে শিক্ষা ব্যবস্থাকে। একজন চরিত্রহীন চাদাবাজ যখন একটি স্বনামধণ্য বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, তখন সাধারন ছাত্র-ছাত্রীগণ তাদের নিকট হতে কি আশা করতে পারে। পূর্ব হতেই ব্যাপক সংবদ্ধ অপরাধ চক্রটি। শিক্ষার আড়ালে ঢেকে রাখা হয়েছে তাদের অপরাধের মুখোষ। বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির একজন রবিউল মাষ্টারের স্ত্রী শেখরনগর গার্লস স্কুলের শিক্ষকা। অসংখ্য ছাত্র-ছাত্রী ও অবিভাবকরা ক্ষোভের সাথে জানান, তার স্বামী রবিউল মাষ্টার প্রভাবশালী হওয়ায় তার স্ত্রীকে বিদ্যালয়ে ক্লাস নিতে হয় না, শুধু মাস শেষে বেতন গ্রহন করেন। অন্যদিকে রায় বাহাদুর শ্রীনাথ ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠানে মাসে আপ্যায়ন বিল ৫০/৭০ হাজার টাকা। ইহা যেন এক তেলেসমাতি কারবার। বিদ্যালয়েই হয় রান্না-বান্না। অবস্থা দৃষ্টে মনে হয় তারা প্রত্যেকে একেক জন বিশাল মাপের শিক্ষাবীদ ও রাজনৈতিক নেতা। রবিউল ইসলাম কক্সবাজার ও টেকনাফে দুটো রেস্টুরেন্টের মালিক। অনেক নাম গোপন করার শর্তে জানান, স্যার ঠিকই লিখেছেন। হেরা মাঝে মাঝে রসিক ভোজনের বহর নিয়া টেকনাফ যায়। যেতে পারেন, তবে টেকনাফে রেস্টুরেন্ট ভাবনার বিষয় বটে! লোক মুখে জানা যায়, এলাকা থেকে বিভিন্ন ছেলে-মেয়ে টেকনাফ ও কক্সবাজারে রবিউল মাষ্টারের হোটেল রাত্রি যাপন করেন। প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও অভিবাবক নিয়ে মানববন্ধন করে অপরাধী চক্র। নিজেদের কুকর্ম ঢাকতে একরে পর এক নাটক লিখছে, আর ভুক্তভোগী জনগণকে অভিনয়ে এনে শিক্ষার নামে তামাশা করছে চক্রটি। অপরাধী চক্রের ভাষায় এটা ষড়যন্ত্র, যদি ষড়যন্ত্র হবে তবে বিশ্বনাথ বাবুর ধর্ষণ মামলার আসামী হওয়া, নকল নিয়ে ধরা পরা, পান বেচা, কেরানী চাকুরী করা, অঢেল স¤েপদর মালিক হওয়া, বিধি লঙ্গণ করা এগুলো আসলে কি করে! কমিটির সভাপিত-আনোয়ার হোসেন বেলু উপেজলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান এর স্বামী। সরজমিনে জানা যায়, বেলু প্রথম জীবনে কমিউনিষ্ট পার্টি করতেন। পরে বি চৌধুরীর সাথে বিএনিপ হয়ে বিকল্প ধারা। বর্তমানে তিনি সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ভাষায় আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে কাওয়া হিসেবে পরিচিত। বিডি জাতীয় নিউজের সংবাদটি প্রায় শতাধিক ব্যক্তি শেয়ার করেলও তারা শুধু গিয়াস খানকে টার্গেট করলেন কেন! কারন সে পেশায় সাংবাদিক। বিভিন্ন সময়ে তাদের  লুট-পাটের ভাগভাগির বিরোদ্ধে অবস্থান করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে অপকর্মের চরম বিরাধিতা করে যাচ্ছিলেন। তাছাড়া স্থানীয় ফাড়ি পুলিশের মাদক ব্যবসায়ীদের শেল্টার দেওয়ার বিরাধিতা করাটা তার জন্য কাল হয়ে দাড়িয়েছিল। বিশ্ববাটপার ও বিশ্ব বেহায়া এজাহারে উল্লেখ করেন, তাদেরকে হুমিক দেওয়া হয়, কিন্তু স্কুলের হরি লুটের তথ্য উদ্ঘাটনে সাংবাদিকরা স্কুলে গেলে উল্টো অপরাধী চক্র সাংবাদিকদের ভূয়া সাজাতে জোর তৎপরতা চালায়। সাক্ষাৎকার গ্রহণের পর দিন স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে যোগাযোগ করে এবং সাংবাদিকদের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেন, অথচ মাহমুদুল হাসান অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের মধ্যে অন্যতম ব্যক্তি। যার অধীনে পুরো দেশের অপরাধ ভিত্তিক অসংখ্য সংবাদ কর্মীগণ জনগণের সেবায় জীবনের ঝুকি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে বিডি জাতীয় নিউজের সিনিয়র ক্রাইম রিপার্টার হামিম জানান, তারা আমাদের বলেন, সামেন আমাদের স্কুলের ১০০ বছর পূর্তি, আপনারা এক সপ্তাহ সঙ্গে থাকবেন, আপনাদের খুশি করার দায়িত্ব আমাদের। এমন মন্তব্যে মাহমুদুল হাসান রেগে গিয়ে বলেন, আমাদের খুশি করা লাগবেনা, প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের সন্তুষ্টি অর্জন করলেই ভাল হবে। ভয়ে ভীত বিশ্বনাথ ও রবিউল কয়েক দফায় মোবাইলের মাধ্যমে সংবাদ না কর, সম্মান গ্রহন করার অনুরোধ জানান। কিন্তু তা কর্ণপাত না করেই আমরা সংবাদ প্রকাশ করি। স্কুল কমিটির সভাপিত আনোয়ার হোসেন বেলু সরকারী বালু, সরকারী স্থাপনা ভরাট না করে ব্যক্তি মালিকানা জমিতে বালু ফেলে সরকারের বিপুল পরিমান টাকা হরি-লুট করে। মামলার ব্যাপারে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিশ্বনাথ তালুকদার জানান, আমি মামলা করতে চাইনি ভাই, বাধ্য হয়ে করতে হয়েছে। বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপিত আনোয়ার হোসেন বেলু ঘটনাটি জানেন না বলে জানান। স¤পূর্ণ মিথ্যা তথ্য দিয়ে মামলা দেওয়ায় বিশ্বনাথ, বেলু ও সিরাজদিখান থানার ওসি ইয়ারদৌস হাসানের বিরুদ্ধে ক্রমেই ফুসে উঠেছে ছাত্র-ছাত্রী, অবিভাবক ও সাংবাদিক মহলসহ স্থানীয় জনতা। সাংবাদিক গিয়াস খান স্থানীয় আওয়ামী রাজনীতির সাথে জড়িত। তিনি মুজিবসেনা ঐক্যলীগ মুন্সিগঞ্জ জেলার সাংগঠনিক স¤পাদক।স্থানীয় সাপ্তাহিক জনপ্রিয়-স্টাফ রিপোর্টার, জাতীয় দৈনিক শ্যামবাজার পত্রিকার সিরাজদিখান প্রতিনিধি, ঢাকা ডিভিশনাল প্রেসক্লাবের সদস্য। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিশ্বনাথ তালুকদার এর নিকট মিথ্যা মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে, ভাত খাচ্ছি বলে, লাইন কেটে দেন। বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপিত আনোয়ার হোসেন বেলুর নিকট জানতে চাইলে বলেন, কি করবো না করবো, তা কি আপনাদের কাছ থেকে শিখতে হবে। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টাস সোসাইটির কেন্দ্রীয় সভাপিত-মাহমুদুল হাসান জানান, সত্যকে মিথ্যা দিয়ে বেশী দিন আড়াল করে রাখা যায়না, আমরা সাংগঠনিক ও আইনী প্রক্রিয়ায় অপরাধ চক্রের বিরুদ্ধে মোকাবেলা করবো। সাংবাদিক গিয়াস খানের মুক্তির দাবীতে ইতিমধ্যে বিভিন্ন সাংবাদিক, মানবাধিকার ও সাংস্কৃতিক সংগঠন গুলো বিবৃতি প্রদান করেছেন। বাংলাদেশ জাতীয় প্রেস ক্লাব, ঢাকা বিমাবন্দর জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশন। বৃহত্তর উত্তরা প্রেস ক্লাব, ঢাকা প্রেস ক্লাব, ঢাকা ডিভিশনাল প্রেস ক্লাব, উত্তরা সিটি রিপোর্টার্স ক্লাব, বিমানবন্দর প্রেস ক্লাব, বাংলাদেশ ডেমোক্রেটিক জার্নালিষ্ট ইউনিয়ন, বাংলাদেশ অনলাইন সাংবাদিক সোসাইটি, উত্তরা সিটি রিপার্টার্স ক্লাব, বৃহত্তর মিরপুর কল্যাণ সোসাইটিসহ অসংখ্য সংগঠন ও সাংবাদিক নেতৃবৃন্ধ।

Advertisement
Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here