
মামুন খান: টঙ্গী বাজার এলাকায় আবাসিক হোটেলের আড়ালে মাদক, জুয়া ও অসামাজিক কার্যকলাপের এক অভয়ারণ্য গড়ে উঠেছে। বিশেষ করে ‘হোটেল মঞ্জুরী’ নামক একটি প্রতিষ্ঠানে প্রশাসনের নাকের ডগায় দিন-রাত রমরমা দেহ ব্যবসা চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, টঙ্গী বাজারের একটি ভবনের দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলায় অবস্থিত এই হোটেলটির প্রবেশপথে ‘আপাতত বন্ধ’ লেখা একটি সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। তবে অভিযোগ রয়েছে, এই বন্ধ দরজার আড়ালেই নিয়মিত চলছে অসামাজিক কার্যকলাপ। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, জনবসতিপূর্ণ এই এলাকায় হোটেলের আড়ালে নারী ব্যবসা ও মাদকের আড্ডা বসায় সামাজিক পরিবেশ চরমভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে।
হোটেলটির কর্মচারীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনকে ‘ম্যানেজ’ করেই তারা এই অবৈধ কারবার চালিয়ে যাচ্ছেন। ফলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো অভিযানের ভয় তাদের নেই। অন্যদিকে, হোটেলের মালিক সুজন ও তার সহযোগী ম্যানেজার জলিলের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি গণমাধ্যমকর্মীদের সাথেও অশালীন আচরণের অভিযোগ রয়েছে। তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে তারা সাংবাদিকদের বিভিন্নভাবে হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন বলে জানা গেছে।
এলাকাবাসীর ভাষ্য, টঙ্গী ও আব্দুল্লাহপুর সংলগ্ন এলাকায় এমন একাধিক হোটেল দীর্ঘদিন ধরে অপরাধের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। প্রশাসনের এই রহস্যজনক নীরবতা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা মনে করছেন, দ্রুত আইনি ব্যবস্থা ও নিয়মিত তদারকি ছাড়া এই অসামাজিক কর্মকাণ্ড বন্ধ করা সম্ভব নয়।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে হোটেল মালিক সুজনের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য ও ভিডিও প্রমাণসহ বিশেষ প্রতিবেদন আসছে পরবর্তী সংখ্যায়। সরাসরি নজর রাখুন আমাদের পাতায়।



