
মোঃ সোহাগ মিয়া, নিজস্ব প্রতিনিধি: মাদক, কিশোর গ্যাং কালচার ও অনলাইন জুয়ার বিস্তার রোধে এবার কঠোর অবস্থান নিলেন তুরাগ থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও আসন্ন কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হাজী জহিরুল ইসলাম।
তিনি এলাকায় ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করে যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। হাজী জহিরুল ইসলাম বলেন, “তুরাগের প্রতিটি অলি-গলি থেকে মাদক ও জুয়ার আস্তানা উপড়ে ফেলা হবে। কিশোর গ্যাংয়ের নামে যারা ত্রাস সৃষ্টি করছে, তাদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। আমার ওয়ার্ডে মাদক ব্যবসায়ী, জুয়ার স্পট ও কিশোর গ্যাং লিডারদের ঠাঁই নেই। প্রশাসন ও জনগণকে নিয়ে সম্মিলিত অভিযান চলবে।”
তার এই ঘোষণার পর মাঠে সরব হয়ে কাজ শুরু করেছেন কামারপাড়া কালিয়াটেক ইউনিট বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোস্তফা কামাল। তিনি ওয়ার্ডের বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুল-কলেজ ও মহল্লায় গিয়ে অভিভাবক, শিক্ষক ও যুবকদের নিয়ে সচেতনতামূলক বৈঠক করছেন। পাশাপাশি সন্দেহভাজন স্থানগুলো চিহ্নিত করে তথ্য সংগ্রহ করে প্রশাসনকে সহায়তা দিচ্ছেন।
মোস্তফা কামাল বলেন, “হাজী জহিরুল ইসলাম ভাইয়ের নির্দেশে আমরা তৃণমূল পর্যন্ত নেটওয়ার্ক তৈরি করেছি। কোনো বখাটে যেন মোবাইলে বসে জুয়ায় আসক্ত হতে না পারে, কোনো কিশোর যেন গ্যাংয়ের খপ্পরে না পড়ে—সেটাই আমাদের টার্গেট। অভিভাবকদেরও সন্তানের খোঁজ রাখতে হবে।”
স্থানীয় বাসিন্দারা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে তুরাগ-কামারপাড়া এলাকায় কিশোর গ্যাং ও অনলাইন বেটিং অ্যাপের কারণে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছিল। হাজী জহিরুল ইসলামের ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা এবং মোস্তফা কামালের মাঠপর্যায়ের তৎপরতায় মানুষ নতুন করে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে।
বিএনপি নেতাকর্মীরা জানান, আগামী কাউন্সিলর নির্বাচনে হাজী জহিরুল ইসলামকে বিজয়ী করতে মাদকমুক্ত, গ্যাংমুক্ত ও জুয়ামুক্ত তুরাগ গড়াই হবে তাদের প্রধান নির্বাচনী অঙ্গীকার।



