
নিজস্ব প্রতিবেদক:
কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার সাংবাদিক খায়রুল ইসলাম ফকিরের বিরুদ্ধে দায়ের করা কথিত মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলার প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। এক যৌথ বিবৃতিতে প্রতিবাদ জানান বাসদ (মার্কসবাদী) কিশোরগঞ্জ জেলা সমন্বয়ক আলাল মিয়া, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনপিপি) কিশোরগঞ্জ জেলা যুগ্ম সমন্বয়ক অধ্যাপক জাকির হোসেন, হোসেনপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এ.কে.এম. মোহাম্মদ আলী, সাংবাদিক তপন চন্দ্র সরকার, সাংবাদিক মশিউর রহমান চন্দন, পৌর প্রেসক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক শাহীন আহমেদ, নারীনেত্রী রেখা আক্তার, বাংলাদেশ লেখক সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সমাজকর্মী বন্ধু ফাউন্ডেশনের আশরাফুল ইসলামসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ব্যক্তিবর্গ।
বিবৃতিতে তারা অভিযোগ করেন, হোসেনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম ও এসআই খালেদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার করে সাংবাদিক খায়রুল ইসলাম ফকিরকে পৃথক দুটি মামলায় জড়ানোর অভিযোগ রয়েছে। তাদের দাবি, মামলার বিষয়ে যথাযথ তদন্ত ও অভিযোগের সত্যতা যাচাই ছাড়াই তাকে আসামি করা হয়েছে।
প্রতিবাদকারীরা আরও অভিযোগ করেন, গত ২৬ জুলাই মামলার সঙ্গে সরাসরি কোনো সম্পর্ক না থাকা সত্ত্বেও সাংবাদিক খায়রুল ইসলাম ফকিরকে পুলিশ আটক করে। পরে তিনি আদালতে হাজির হয়ে জামিন লাভ করেন এবং জামিন পাওয়ার পর নিজ বাড়িতে ফিরে আসেন। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, একজন সাংবাদিকের দায়িত্ব হলো জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়, অনিয়ম, দুর্নীতি, জনদুর্ভোগ ও নাগরিক সমস্যাগুলো সংবাদমাধ্যমে তুলে ধরা। পেশাগত দায়িত্ব পালনের কারণে কোনো সাংবাদিককে হয়রানিমূলক মামলায় জড়ানো হলে তা স্বাধীন সাংবাদিকতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার জন্য উদ্বেগজনক। সাংবাদিক খায়রুল ইসলাম ফকির বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিকতা করে মানুষের সমস্যা ও জনস্বার্থের বিষয়গুলো তুলে ধরছি। আমার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও হয়রানিমূলক। নিরপেক্ষ তদন্ত হলে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে। তিনি আরও বলেন, আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আমার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত এবং ন্যায়বিচার চাই। প্রতিবাদকারীরা অবিলম্বে সাংবাদিক খায়রুল ইসলাম ফকিরের বিরুদ্ধে দায়ের করা কথিত মিথ্যা ও বানোয়াট মামলা প্রত্যাহার, ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং সাংবাদিকদের স্বাধীনভাবে পেশাগত দায়িত্ব পালনের পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান।



