
*রাজমিস্ত্রি থেকে দল এবং দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দদের নাম ব্যবহার করে প্রতারণা। পর্ব-১*
নাম: মো: নাসির হাওলাদার (আগা শাহালম), পিতা- মৃত: আ: বারেক হাওলাদার, মাতা- আছুরা বেগম। গ্রাম: পশ্চিম বাদুরতলা, ডাকঘর: বাদুরতলা, থানা: রাজাপুর, জেলা- ঝালকাঠি।
যে ছেলেটি এক সময় রাজমিস্ত্রির কাজ করতো সেই ছেলেটি ৫ই আগস্টের পরবর্তী সময়ে দল ও দলের সিনিয়ারের নেতৃবৃন্দের নাম ব্যবহার করে কয়েক কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন। রাজাপুর উপজেলা এবং ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাজ, এলজিইডির কাজ, গণপূর্ত অধিদপ্তরের কাজ পাইয়ে দিবে সহ চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে আত্মসাৎ করার উদ্দেশ্যে এই বিপুল পরিমাণ টাকা সংগ্রহ করেন। উক্ত টাকা দিয়ে নিজেকে এবং নিজের ভাইদেরকে ইতিমধ্যে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
দীর্ঘদিন কয়েক বছর ধরে রাজধানীতে বসবাস করে কিন্তু কোন জায়গাতেই দীর্ঘদিন অবস্থান করে না, কালেকশন শেষ হলে স্থান পরিবর্তন করে। বিশ্বস্ত সূত্র ও তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় ইতিপূর্বে মোহাম্মদপুর থাকাকালীন সময়ে মোহাম্মদপুরেও তার বিপুল পরিমাণ টাকা আত্মসাৎ এর খবর পাওয়া গেছে।
রাজাপুরের অবস্থা তো আরো বেহাল এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হওয়া গেছে শুধুমাত্র রাজাপুর উপজেলায় প্রায় ২০ জনের কাছ থেকে বিভিন্ন কাজের প্রলোভন দেখিয়ে প্রায় কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।
মানুষের কাছে বিশ্বস্ততা অর্জন করার জন্য সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দের সাথে নিয়মিত ছবি পোস্ট করে সকল অপকর্মের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।
নিজ উপজেলার স্থানীয় পর্যায়ের নেতৃবৃন্দকে সে ঢাকার কেন্দ্রীয় পর্যায়ের লিডার পরিচয় দিয়ে এবং দলের শীর্ষস্থানীয় পর্যায়ের নেতৃবৃন্দদের সাথে তার ওঠা বসা বলে তাদেরকে জিম্মি করে রাখে।
অথচ এই রাজমিস্ত্রির দলের কোন সাংগঠনিক পরিচয় নেই।
যে মাদকের কারণে যুব সমাজ আজ ধ্বংসের পথে। সেই মাদকের ব্যবসাও ছাড়েনি এই রাজমিস্ত্রি। নিজ এলাকার ইয়াবা ব্যবসায়ীদের ইয়াবা সাপ্লাইয়ের অভিযোগ আছে তাহার বিরুদ্ধে।
একজন রাজনৈতিক নেতা বা কর্মীর দৃশ্যমান বৈধ উপার্জনের বিভিন্ন পথ থাকে। সেক্ষেত্রে সাবেক এই রাজমিস্ত্রির বর্তমান কোন দৃশ্যমান বৈধ আয়ের কোন পথ নেই।
রাজনৈতিক পদহীন সাবেক এই রাজমিস্ত্রি দল এবং দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দকে ব্যবহার করে তাদের অগোচরে যেভাবে অপকর্ম করে বেড়াচ্ছে। এর দায়ভার কখনোই দল এবং দলের ভিতরে মেনে নিবেনা।ঢাকাতে আলিয়া মাদ্রাসার গেট ভেঙ্গে নয়নের ছত্রছায়াতে। রাজাপুরে কাজ করেন হাফ ডজন নারী নিয়ে নাসির গড়ে তুলেন মদের বাজার।
নাসিরের দালল চক্রের অন্যতম নারী সদস্য সাবিনা পিতা চান মিয়া,মাতা মাহামুদা বেগম,গ্রাম পচ্চিম ইন্দ্রপাশা, মঠবাড়ি ইউনিয়নের রাজাপুরে বাড়ি।
মদের ও ইয়াবা কারবারির হোতা নাসির সাবিনার জুটির পিছনে ঢাকাতে আরো এক নারী কমিশনারসহ ডজন খানেক কাজ করে টিমে



