
কুমিল্লা জেলা, মহানগর ও ১৭টি উপজেলায় সিএনজি অটো রিক্সার মালিক ,চালকদের কাছে থেকে টোকেনের মাধ্যমে পুলিশ ও রাজনৈতিক নেতা ব্যাপক চাঁদাবাজি
সরজমিনে দেখা যায় ও মালিক ,চালকদের অভিযোগ প্রতিমাসে এই টোকেনের জন্য ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত দিতে হয়
টাকা না দিলে নেমে আসে আমাবস্যার অন্ধকার টাকা দিয়ে টোকেন নিলেই আর কোন ঝামেলা পোহাতে হয় না
এই টাকা সরাসরি পুলিশ ও রাজনৈতিক নেতাদের মাধ্যমে অবৈধ বেআইনি লেনদেন হয়
চালক ও স্থানীয় পরিবহন সংশ্লিষ্টদের দাবি বৈধ প্রায় ২২ হাজার আর অবৈধ প্রায় ৪৪ হাজার তবে এই তথ্য সরকারি সংখ্যাটি সরকারি নথি দিয়ে নিশ্চিত করা যায়নি
এর বিআরটিএ তথ্য মতে কুমিল্লা ২০৫৬২টি নিবন্ধন এবং অবৈধ রায় চল্লিশ ৪০০০০ হাজার অবৈধ সিএনজি তথ্য প্রকাশিত হয়েছিল ফলে ফলে প্রকৃত সংখ্যা নির্ধারণ বিআরটিএ হালনাগাদ করা জরুরি
অপরাধ বিচিত্র টিম দেখতে পারে যত অপরাধ ঘটে অনিবন্ধিত বাহন ব্যবহার করে
কুমিল্লায় হ ১১ থেকে ১৩ পর্যন্ত একাধিক গাড়ি চলছে একই নাম্বার লাগিয়ে
আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, রাজনৈতিক নেতা সি,এন,জি স্টেশন ,পেট্রোল পাম্পের মালিকদের অতি অর্থ লোভের কারণে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে অবৈধ এই সমস্ত যানবাহ
দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়তে হলে সত্য ও নিরপেক্ষ স্বাধীনভাবে যাচাই করে দোষীদের আইনের আওতায় না প্রয়োজন



