দেশ

ছাতকে বালু উত্তোলন মামলা ঘিরে ৫ লাখ টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগ, অস্বীকার ভূমি কর্মকর্তার

ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের ছাতকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলা ঘিরে ৫ লাখ টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগ উঠেছে এক ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। তবে অভিযোগটি মিথ্যা বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা।

জানা গেছে, গত ২২ জুলাই ছাতক উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের রহমতপুর উত্তরপাড়া এলাকায় নদীপথসংলগ্ন স্থানে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে একটি এক্সকাভেটর ও একটি হুইল লোডার জব্দ করা হয়। পরে এ ঘটনায় বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ১৫(১) ধারায় ছাতক থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

মামলাটিতে ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে আরও চার থেকে পাঁচজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। নাম উল্লেখ করা আসামিরা হলেন—আমির আলী (৩৮), জামির আলী (৩৫), আবুল বাশার (৬০), আতাউর (৪০), ছমক আলী (৬০), নজির আলী (৫৫), ধন মিয়া (৬২), মোহাম্মদ আলী (৫২), কামরুল (৩৮), রফিক (৫৫), জয়নাল (৪৬), এবাদুল্লাহ (৫৪), জাইদুল (৪২), আতাউর (৪৮) ও সুজন (৪৬)।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, ছাতক সদর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা রেবুল কুমার দাস এ মামলার বাদী।

এদিকে, মামলার আসামি সুজনের অভিযোগ, ছাতক নৌ-পুলিশের মাধ্যমে মামলার বিষয়টি জানতে পেরে তিনি ছাতকে এসে সংশ্লিষ্ট ভূমি কর্মকর্তার সঙ্গে দেখা করেন। এ সময় তাঁর নাম মামলা থেকে বাদ দেওয়ার জন্য ৫ লাখ টাকা দাবি করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

তবে সংশ্লিষ্ট ভূমি কর্মকর্তা এ অভিযোগ মিথ্যা বলে অস্বীকার করেছেন। অভিযোগের বিষয়ে স্বাধীনভাবে কোনো প্রমাণ পাওয়া গেছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

অন্যদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কয়েকজন ব্যক্তি ভূমি কর্মকর্তা রেবুল কুমার দাসের পক্ষে বক্তব্য দিয়েছেন। তাঁদের দাবি, সরকারি সম্পত্তি রক্ষার স্বার্থে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় মামলা করা হয়েছে। ঘুষ দাবির অভিযোগের পক্ষে প্রকাশ্যে আসা অডিও-ভিডিওর যথার্থতা নিয়েও তাঁরা প্রশ্ন তুলেছেন।

ঘটনাটি নিয়ে উভয় পক্ষের বক্তব্য সামনে আসায় অভিযোগের সত্যতা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করার দাবি উঠেছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button