অনুসন্ধানএক্সক্লুসিভঢাকাদুর্নীতি

ডিএনসিসি পরিবহন ইউনিয়নে ‘স্বঘোষিত’ কমিটির দাপট: চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির অভিযোগে জিম্মি চালকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন পরিবহন চালক শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়ন:- ৪৭৯১ এর বর্তমান অনির্বাচিত কমিটির স্বঘোষিত সভাপতি আবুল হোসেন ভূইয়া (যান্ত্রিক) নেতৃত্বে তার কার্যকরী সভাপতি আবদুস সাত্তার (বর্জ্য) সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন ভূইয়া (যান্ত্রিক) চুক্তিভিত্তিক ড্রাইভার, সদস্য সচিব মো: মোস্তাজাবুল হক (পরিবহন) বর্তমানে লাইসেন্স ছাড়া ড্রাইভার এবং প্রচার সম্পাদক মো: আমির হোসেন (শ্রমিক কর্মী) ড্রাইভারের বিরুদ্ধে অত্র ইউনিয়নের ক্ষমতা অপব্যবহার করে নানান দুর্নীতির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

তাহারা সবাই বিগত সরকারের আমলের সর্বোচ্চ সুবিধাভোগী কর্মচারী + নেতা হয়েও ৫ই আগষ্ট ২০২৪ খৃঃ তারিখ পরবর্তী সময়ে পরস্পরের যোগসাজশে প্রতারণা এবং চক্রান্ত করে অত্র ইউনিয়নের নির্বাচিত কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হোসেন ভূইয়া কতৃক তারই নির্বাচিত কমিটির সভাপতি এবং সেক্রেটারিকে ফ্যাসিবাদের দোসর বানিয়ে অপপ্রচার চালিয়ে ইউনিয়নের সকল ক্ষমতা দখল করে নিজেই  হয়ে উঠেন একজন স্বঘোষিত সভাপতি, এই স্বঘোষিত সভাপতির মাধ্যমেই প্রথম বারের মতো একটি অরাজনৈতিক সংগঠনকে রাজনৈতিক হাতিয়ার বানিয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার শুরু করেন যা এখন পর্যন্ত চলমান রয়েছে।

তাদের এমন নোংরা অপপ্রচারের ভয়ে নির্বাচিত কমিটির সভাপতি জনাব আমিনুল ইসলাম ভূইয়া এবং সেক্রেটারি জনাব তরফদার মাসুদ পারভেজ  নিজেদের ইজ্জত বাচাতে সেদিন থেকেই আত্মগোপনে রয়েছেন। দেশের প্রচলিত আইন কানুন নিয়ম নীতি কোন কিছুর তোয়াক্কা না করে তারা কমিটি ভাংচুর করে অনেক চালকের অনুমতি না নিয়েই তাদেরকে নেতা এবং উপদেষ্টা বানিয়ে ব্যবহার করে আসছেন। একই ফর্মুলা ব্যবহার করে কোয়ার্টার কমিটির সভাপতির পদটিও তিনি দখল করে নেন, ডাবল সভাপতির ডাবল ক্ষমতা ব্যবহার করে মব ভায়োলেন্স সৃষ্টি করে কর্মকর্তা থেকে কর্মচারী সহ সম্পুর্ন প্রতিষ্ঠানকেই জিম্মি বানিয়ে ব্যবহার করে আসছেন। তাদের এসকল অপকর্মের বিরুদ্ধে যে-ই প্রতিবাদ করেছে তাকেই টার্গেট করে অপমান অপদস্ত আর হেয় প্রতিপন্ন করে নানান কায়দায় ব্ল্যাকমেইল ও লাঞ্চিত করে আসছেন। আবুল হোসেন ভূইয়ার ফর্মুলা অনুযায়ী সাবেক প্রশাসক মুহাম্মদ এজাজের সাথে  বিশেষ সখ্যতা গড়ে তুলতে তার বিশ্বস্ত এক সহচরকে তার ড্রাইভার হিসেবে নিযুক্ত করেন, এই ড্রাইভারকে ব্যবহার করে প্রশাসক এজাজের সাথে সরাসরি সখ্যতা তৈরি করেন এরপর পর্যায়ক্রমে প্রশাসকের বাসায় যেকোনো সময় বিচরণ করার মতো বিশেষ অধিকার অর্জন করেন। এরপর তার সাথে ছবি তুলে সে-ই ছবিকে  ফেইসবুক এবং মেসেঞ্জার গ্রুপে পোস্ট এবং প্রচার করে একজন প্রশাসকের ক্ষমতার অপব্যবহার শুরু করেন। যার কিছু সারসংক্ষেপ নিন্মে তুলে ধরা হইল। 

  • ছাত্র হত্যার মামলায় ফাসিয়ে দেওয়ার হুমকিধামকি প্রদর্শন করে অবৈধ অর্থ আদায় করা হয়েছে। 
  • গাড়ির চাবি এবং হেল্পার কেড়ে নিয়ে তার অনুগত চালকের কাছে বিক্রি করে অবৈধ অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে। 
  • বিভিন্ন সভাসমাবেশের নামে চালকদের কাছথেকে অবৈধ চাদা আদায় করে তা আত্মসাৎ করা হয়েছে। 
  • বহিরাগত ড্রাইভারদের কাছথেকে ইউনিয়নের চাদা আদায় করে তা আত্মসাৎ করা হয়েছে। 
  • প্রশাসক মহোদয় এর ঐচ্ছিক তহবিল থেকে অনুদান পাইয়ে দেওয়ার নামে সর্বনিম্ন ৫,০০০ হাজার হইতে সর্বোচ্চ ৪০,০০০ হাজার টাকা পর্যন্ত কমিশন আদায় পূর্বক অবৈধ অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে। 
  • এই প্রকৃয়ায় আনুমানিক ১৩০ থেকে ১৫০ জন কর্মচারীর নামে সর্বনিম্ন ২০ (বিশ) হাজার হইতে সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা পর্যন্ত অনুদান পাইয়ে দেওয়া হয়েছে। 
  • স্বঘোষিত সভাপতির ব্যাক্তিগত চরিত্র:- তিনি বিলুপ্ত এক পদের এক ট্রেইলার ড্রাইভার হলেও আদতে তিনি একজন দালাল, যেমন:- কমিশনের ভিত্তিতে ভুয়া কাগজপত্র ব্যবহার করে ব্যাংক লোন অনুদান এবং জুয়ায় আসক্ত চরিত্রের অধিকারী ব্যাক্তি, যিনি বর্তমানে তৃতীয় স্ত্রীর সাথে মিরপুর স্টাফ কোয়ার্টারে বসবাস করছেন। এই কোয়ার্টার বরাদ্দের ক্ষেত্রেও তার দালালীর রেকর্ড রয়েছে বলে প্রকাশ পেয়েছে। 
  • বর্তমান স্বঘোষিত কমিটির কার্যকরী সভাপতি জনাব মো আবদুস সাত্তার বিগত চৌদ্দবছর যাবত আমিন বাজার ল্যান্ডফিল’কে তার দুর্নীতির নিরাপদ আস্তানা হিসাবে ব্যবহার করতে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট তৈরি করে একজন থার্ডক্লাশ ড্রাইভার হয়েও তিনি ফাস্ট ক্লাশ জীবনযাপন করে আসছেন। 
  • বিগত চৌদ্দবছরে এমন অসংখ্য ড্রাইভারকে ল্যান্ডফিল হইতে অদলবদল করা হইলেও এই সিন্ডিকেটের শক্তিশালী অবস্থানের কারণে আব্দুস সাত্তারকে কোন অফিসার এখন পর্যন্ত তার অবস্থান থেকে টলাতে পারেননি। 
  • কার্যকরী সভাপতি আবদুস সাত্তারের এই শক্তিশালী অবস্থান এবং তার তৈরি সিন্ডিকেট ভাঙতে ইতিমধ্যে তার’ই কমিটির সাধারণ সম্পাদক সহ দুইজন নেতা গত  ৪ নভেম্বর ২০২৫ এবং ৩০শে অক্টোবর ২০২৫ খৃঃ তারিখে বদলি হয়ে আমিন বাজার ল্যান্ডফিলে অবস্থান করছেন, একই কমিটির প্রচার সম্পাদক আমির হোসেন (শ্রমিক কর্মী)ও তার নিজ ক্ষমতাবলে ল্যান্ডফিলে বদলি হওয়ার আদেশ জারির কাজ বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। 
  • এভাবে ল্যান্ডফিলে বদলি হওয়ার একমাত্র কারণ হচ্ছে কার্যকরী সভাপতির অনুকরণীয় নিজেরা কাজ না করে হেল্পার দিয়ে সেই কাজ সম্পাদন করতে পারার লোভে। বর্তমান প্রচার সম্পাদকের নামে বরাদ্দ বর্জ্য বাহী গাড়িটিও কিন্তু একই প্রক্রিয়ায় বহিরাগত ড্রাইভার (ফেরদৌস) কে দিয়ে তার ডিউটি পরিচালনা করে আসছেন। 
  • কার্যকরী সভাপতি আবদুস সাত্তারের ব্যাক্তিগত চরিত্র:- তিনি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের ড্রাইভার হলেও অবিভক্ত সিটি করপোরেশন থাকতে তিনি চোরাই তেলের ব্যবসা করতেন সে-ই অভিজ্ঞতায় তিনি গত চৌদ্দবছর যাবত আমিন বাজার ল্যান্ডফিল এর চোরাই তেলের সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করে আসছেন, এসব অবৈধ টাকার প্রভাবে মিরপুর দশ নাম্বার আবু তালেব স্কুল সংলগ্ন বিলাসবহুল এপার্টমেন্টে বাসা বাড়া দিয়ে বর্তমানে প্রথমশ্রেণীর জীবনযাপন করছেন। 
  • গতবছর ৩০ শে জুলাই, ২০২৫ খৃঃ তারিখ দৈনিক অনলাইন পত্রিকায় প্রকাশিত খবর “ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন পরিবহন চালক ও কর্মচারী ইউনিয়ন স্বঘোষিত সাবেক যুগ্ন আহবায়ক মো: মোস্তাজাবুল হক” ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়াই দীর্ঘদিন যাবত চাকরি করছেন গাড়ি চালক পদে। 
  • প্রকাশিত এই সংবাদের ভিত্তিতে পরিবহন বিভাগ তাকে সাসপেন্ড করতে বাধ্য হয়, সে-ই সাথে তার লাইসেন্স যাচাই-বাছাই করতে একটি তদন্ত কমিটি করা হলেও তার তদন্ত রিপোর্ট এখন পর্যন্ত জমা দেওয়ার সাহস দেখাতে পারছেন না এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। 
  • মো: মোস্তাজাবুল হক লাইসেন্স ছাড়া ড্রাইভার অথবা লাইসেন্স ছাড়া নেতা হলেও কিন্তু তিনি অত্র ইউনিয়নের প্রধান পরামর্শক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে নিয়েছেন, কারণ তিনি ইতিমধ্যে অসদাচরণ এবং ডাব্বা চুরির অভিযোগে আরও দুইবার সাসপেন্ড হয়েছেন এবং মুক্তিও পেয়েছেন, বর্তমানে লাইসেন্স ছাড়া চাকরি নেওয়ার অভিযোগে ঝুলে থাকলেও এই মামলায়ও তিনি নিশ্চিত খালাস পেয়ে যাবেন।
  • মো: মোস্তাজাবুল হক এবং তার স্বঘোষিত সভাপতি ইচ্ছে করলেই যেকোনো নগন্য বিষয়কে অতিব জঘন্য বানিয়ে অপপ্রচার এবং অতি জঘন্য বিষয়কে অতিব নগন্য বানিয়ে ধামাচাপা দেওয়ার বিশেষ অভিজ্ঞতা রয়েছে বলেই তারা যে কাওকে যেকোনো মুহুর্তে ব্ল্যাকমেইল করে ব্যবহার তাদের জন্য কোন ব্যাপারই না।
  • বর্তমানে তিনি তার স্বঘোষিত সভাপতি এবং কার্যকরী সভাপতির পৃষ্ঠপোষকতায় অঞ্চল চার এর শ্রমিক ইউনিয়নের প্রধান কার্যালয়ে একই কমিটির প্রচার সম্পাদকের কমিশন ভিত্তিক সহযোগিতায় জুয়া ব্যবসা পরিচালনা করে তিনি তার জীবন-জীবিকা নির্বাহ করছেন বলে খবরের প্রকাশ। 
  • অত্র ইউনিয়নের তিনিই একমাত্র নেতা যিনি ইউনিয়নের জন্মলগ্ন থেকেই তার প্রধান কার্যালকে এই ব্যাক্তির স্থায়ী বসবাস করার চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের আওতায় বর্তমানেও ব্যবহার করে আসছেন। 
  • সাবেক ক্রিড়া সম্পাদক এরপর সাংগঠনিক সম্পাদক এবং ৫ই আগষ্ট ২০২৪ খৃঃ পরবর্তী সদস্য সচিব মো: মোস্তাজাবুল হকের ব্যাক্তিগত চরিত্র:-তিনি পরিবহন বিভাগের ড্রাইভার হলেও বর্তমানে লাইসেন্স ছাড়া ড্রাইভার হিসাবে সাসপেন্ড হয়ে আছেন, তার বিরুদ্ধে লাইসেন্স ছাড়াই প্রতারণা করে সরকারি চাকুরী নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে, এর আগেও সহকর্মীর সাথে অসদাচরণ ময়লা গাড়ির ডাব্বা, চাক্কা এবং ব্যাটারি চুরির অভিযোগে আরও দুইবার সাসপেন্ড হয়েছিলেন, তার প্রথম স্ত্রী বর্তমানে দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত অবস্থায় মিরপুর স্টাফ কোয়ার্টারে বসবাস করলেও তিনি তার পরিবার ছেড়ে শ্রমিক ইউনিয়নের প্রধান কার্যালয়ে বসবাস এবং একই স্থানে জুয়ার ব্যাবসা পরিচালনা করে নিজের জীবন-জীবিকা নির্বাহ করছেন, তার অতিরিক্ত রাজনীতির কারণে দ্বিতীয় স্ত্রীও তার কাছথেকে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়, বর্তমানে তিনি তার এক নারী বান্ধবীর সাথে ডেটিং করে তার জৈবিক চাহিদা পূরণ করছেন বলে অনুসন্ধানে বেড়িয়ে এসেছে।
  • একই কমিটির সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন ভূইয়া ওরফে বোমা কামালের ব্যাক্তিগত চরিত্র:- তিনি যান্ত্রিক সার্কেলের একজন চুক্তিভিত্তিক প্রকল্পের ড্রাইভার, মাসিক দশ হাজার টাকা বেতনের কর্মচারী হলেও তার বিলাসী জীবন-যাপন আর নেতা হওয়ার উচ্চাকাঙ্ক্ষায় তিনি বারবার অত্র ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ পদে নেতা হওয়ার প্রতিযোগিতায় লিপ্ত রয়েছেন, বর্তমানে তিনি আমিন বাজার ল্যান্ডফিলে কর্মরত আছেন এবং তার দ্বিতীয় স্ত্রী কাজলী বেগম দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মাতুয়াইল ল্যান্ডফিলে মাদক ব্যাবসা পরিচালনা করে মানিকনগর মুগ্ধা এলাকায় বসবাস করছেন বলে প্রাথমিক অনুসন্ধানে বেড়িয়ে এসেছে। 
  • স্বঘোষিত সভাপতি আবুল হোসেন ভূইয়ার অনুকরণীয় পন্থায় তার প্রচার সম্পাদক আমির হোসেন হাওলাদারও বর্তমান প্রশাসকের সাথে ছবি তুলে তার অজান্তে একই প্রকৃয়ায় তার অপব্যবহার করে শ্রমিক ইউনিয়নের প্রধান কার্যালয়ের জুয়া ব্যবসা পরিচালনা এবং মিরপুর দশ নাম্বারের আসপাশের এলাকার ফুটপাতের চাদা বাজি নিয়ন্ত্রণ করার কাজে ব্যবহার করে চলছেন। 
  • স্বঘোষিত কমিটির এই শ্রমিক কর্মী প্রচার সম্পাদক আমির হোসেন হাওলাদারের হাতে ইতিমধ্যে কয়েকজন ড্রাইভার লাঞ্চিত হওয়ার বেশ কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে।
  • এই আমির হোসেন হাওলাদারের ব্যাক্তিগত চরিত্র:- তিনি সেন পাড়া এলাকায় অত্র ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আলী আকবর এর সাথে বসবাস করতেন, এলাকায় স্থানীয় এক নেতার শ্যালক পরিচয়ে একসময় মিরপুর তের নাম্বার বিআরটি এর দালাল এবং দশ হইতে বিআরটিএ পর্যন্ত ফুটপাতের চাদা বাজি নিয়ন্ত্রণ করতেন, তার অতিরিক্ত চাদা বাজির কারণে পুলিশের খাতায় নাম উঠে যায়, চাদা বাজির মামলা এবং পুলিশের কাছথেকে আত্মগোপন করতে প্রথমে আলী আকবরের ভাগিনা পরিচয়ে বিনাবেতন এর ড্রাইভার হিসাবে উত্তর সিটি করপোরেশনে গা-ঢাকা দেন, পরবর্তীতে ততকালীন প্যানেল মেয়র জামাল মস্তোফার কাটায় শ্রমিক কর্মী হিসাবে চাকরি বাগিয়ে নেন, সেদিন গাঢাকা দেওয়া একজন প্রফেশনাল চাদাবাজ আজকে একটি ট্রেড ইউনিয়নের প্রচার সম্পাদক হয়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন। এখন তিনি কর্পোরেশনের স্টিকারের আড়ালে নতুন ভাবে নতুন ক্ষমতায় মিরপুর অঞ্চল চার এর শ্রমিক ইউনিয়নের প্রধান কার্যালয়ে জুয়া ব্যবসা নিয়ন্ত্রণের মধ্যদিয়ে নিজেকে আবার নতুন রূপে প্রতিষ্ঠিত করে নিয়েছেন বলে অপরাধ বিচিত্রার অনুসন্ধানে বেড়িয়ে এসেছে। 
  • এসকল নেতার সম্মিলিত চক্রান্তে আক্রান্ত হওয়ার ভয়ে বেশির ভাগ ড্রাইভারকে মাথায় বাড়তি টেনশন নিয়ে রাস্তায় গাড়ি চালাতে বাধ্য করা হচ্ছে। যা হইতে পারে সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ এবং একজন ড্রাইভারের জানমালের নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত পরিকল্পিত এক অজানা এবং অদৃশ্য হুমকি।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button