প্রতারক ওসমান গনির প্রতারণার শিকার ইত্যাদি হার্ডওয়্যার এর মালিক মোহাম্মদ আলী

ইত্যাদি হার্ডওয়ারের লিমিটেড এর স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ আলী তার প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘদিনের ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন ওসমান গনি। বর্তমানে ওসমান গনি প্রতিষ্ঠানটি মালিক এর মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইত্যাদি হার্ডওয়ার দীর্ঘদিনের সুনাম ক্ষুন্ন করার জন্য কুচুক্রি একটি মহল। প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘদিনের কর্মচারী ওসমান গনিকে দিয়ে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে আসছে। ঘটনার খোঁজ নিয়ে জানা যায় ওসমান গনি ইত্যাদি হার্ডওয়ার চাকরি থাকাকালীন তার মালিক মোহাম্মদ আলীকে দোকান নেওয়ার জন্য ২০ লক্ষ টাকা দেয়। মালিকপক্ষ নির্দিষ্ট সময়ে দোকানটি কে বুঝিয়ে দিবে বলে টাকা গ্রহণ করে চেক ও প্যাডে স্বীকারোক্তি মূলক একটি কাগজ দেয়। ওসমান গনির ভাষ্য দীর্ঘদিন হলেও মালিকপক্ষ টাকা দিচ্ছে না। যার ফলশ্রুতিতে ওসমান গনি মানবাধিকার সংস্থা আসফ এর কাছে তার পাওনা টাকা ফিরিয়ে পাওয়ার জন্য আইনি সহায়তা চায়। প্রতিষ্ঠানটির কোঅর্ডিনেটর লাকি ইসলাম লাকি ঘটনাটি তদন্ত করে গণমাধ্যম কর্মীদের নিয়ে। কিন্তু তদন্তে যা বেরিয়ে এসেছে তার ইতিমতে কেঁচো খুঁড়তে সাপ বেরিয়ে আসার মত। তারা জানতে পারে ওসমান গনি একটি দ্রুত প্রকৃতির লোক। সে ইত্যাদি হার্ডওয়ারের চেক এবং প্যাড যা টাকা দেওয়ার পর নিশ্চয়তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটি মালিক তাকে দিয়েছে বলে দাবি করে। এটা ছিল বানানো, মিথ্যা,এবং প্রতারণার একটি অংশ। কেননা মানবাধিকার ও গণমাধ্যম কর্মীরা ইত্যাদি হার্ডওয়ারের অন্যান্য দোকানে যেয়ে জানতে পারে প্রতিষ্ঠানটির মালিক তার ব্যবসার সুবিধার কারণে এক বইয়ের পাতাগুলিতে অগ্রিম সই দিয়ে রাখে এবং প্যাডও অগ্রিমসই দিয়ে রাখে। কারণ প্রতিষ্ঠানটির প্রায় ৬ টি শাখা সবগুলি শাখা ব্রাঞ্চ ম্যানেজার গুলি মালিক পক্ষর হয়ে কাজ করে। যার কারনে তারা মালিকের অগ্রিম চেক বইয়ের পাতায় সই এবং প্যাডে সই সিল নিয়ে রাখেন।এবং তার প্রত্যেকটি ব্রাঞ্চ ম্যানেজার ওসমান গণি সম্পর্কে বলেন সে একটি প্রতারক ও মাদকাসক্ত লোক । সে তাদের প্রতিষ্ঠানের মালিকের বিরুদ্ধে কাজ করছে। প্রতিষ্ঠানটির কর্মচারীরা বলেন আমাদের প্রতিষ্ঠান একটি বড় প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটির মালিক মোহাম্মদ আলী বলেন আমার প্রতিষ্ঠানগুলিতে ৩৫ জন কাজ করে । ওসমান গনি চাকরি ছেড়ে চলে যাওয়ার সময় সে আমাকে কোন হিসাব বুঝিয়ে দেয়নি আমার এক কোটি ৩০ লক্ষ টাকা ও পাওনা টাকা কোন কিছু আমাকে বুঝিয়ে দেয়নি। বরঞ্চ সে আমাকে আরও বেশি হয়রানি করার জন্য আমার স্বাক্ষরিত পেড ও ১৮টি চেক বই ছড়িয়ে স্থানীয় কিছু কুচক্রী মহলের সাথে হাত মিলিয়ে আমার কাছে টাকা দাবি করছে আমার সুনাম নষ্ট করছে । সে গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন সে যে মানবাধিকার সংস্থার কর্মী লাকি ইসলাম লাকিকে বিচার দিয়েছেন তারাও তদন্ত করে দেখেছেন আমার ব্যবসায়ী সুবিধার জন্য আমার স্বাক্ষরিত চেক বইয়ের পাতা ও পেড অগ্রিম দিয়ে রাখি। আর এই প্রতারক ওসমান গণি আমার সরলতার সুযোগ নিয়ে আমাকে ব্ল্যাকমেইল করছে স্থানীয় বিএনপির নামধারী কিছু সন্ত্রাসী দিয়ে আমাকে টাকা দেওয়ার জন্য হয়রানি করছে। অন্যদিকে ওসমান গনির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্তকারী মানবাধিকার কর্মী লাকি ইসলাম লাকি বলে মিথ্যা বানোয়াট ও সুস্পষ্ট প্রতারণার শামিল। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ঘটনাটি সুষ্ঠু তদন্ত করে বিচারের আওতায় আনার জন্য দাবি জানাচ্ছেন।



