
মাধবপুর প্রতিনিধি:
হবিগঞ্জের মাধবপুরে স্কুলের মালামাল বিক্রি করে অর্থ আত্মসাৎ, সরকারী বিধি লঙ্গন করে কর্মে ফাঁকি দেওয়াসহ নানা বিধ অপকর্মে শোকজ করায় ক্ষিপ্ত হয়ে শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়েছে এক শিক্ষক।
নিজের অপকর্ম ঢাকতে উদুরপিন্ডি ভুদুর ঘাড়ে চাপানোর চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ ওঠেছে উপজেলার আহম্মদপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ হেলাল মিয়ার বিরুদ্ধে।
তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, চলতি বছর ৭ জানুয়ারী ওই বিদ্যালয়ের পুরাতন আসবাবপত্র ও সরকারী বই বিক্রির করে অর্থ আত্মসাতের ঘটনা ঘটে। যা নিয়ে একাধিক স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়।
গণমাধ্যমে ফলাও করে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ায় শিক্ষা অধিদপ্তরসহ প্রশাসন বিষয়টি অধিক গুরুত্বের সহকারে তদন্ত শুরু করে। ওই সময়ে প্রধান শিক্ষক হেলাল মিয়াকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল।
পরে সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার তদন্তে স্কুলের লোহার বেঞ্চ, লোহার দরজা, কাঠের দরজা, টিনের বান্ডিল, সরকারী বইসহ মূল্যবান কাগজপত্র বিক্রি করে দেওয়ার সত্যতা পায়।
ঘটনার তদন্ত রিপোর্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছিল।
এই ঘটনায় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গত ৩রা মার্চ ৩৮.০১৩৬৭১.০০০.০১.০০১.২৫-১৩৩ নং স্মারকে প্রধান শিক্ষক হেলাল মিয়ার বিরুদ্ধে সরকারী কর্মচারী বিধিমালা অনুযায়ী অভিযোগ প্রনয়ন ও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহনের সুপারিশ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বিভাগীয় ব্যবস্থা সুপারিশের প্রায় ৪মাস পরে অর্থাৎ গত ২১ জুন অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক হেলাল মিয়া স্থানীয় সংসদ সদস্যের কাছে একগাদা কাল্পনিক অভিযোগের উল্লেখ করে লিখিত দরখাস্ত দাখিল করে।
যা নিয়ে সর্বমহলে হাস্যরসের সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ হেলাল মিয়ার মুঠোফোনে বার বার চেষ্টা করেও সংযোগ পাওয়া যায় নি।



