“সালাতরত ব্যক্তির সামনে দিয়ে অতিক্রম করার বিধান কী?এ বিষয়ে শরয়ী সীমা কতটুকু?বিশেষ করে,যদি কোনো মুসল্লির সামনে সুতরা (আড়াল) না থাকে,তাহলে তার থেকে কতটুকু দূরত্ব বজায় রেখে অতিক্রম করা বৈধ হবে এবং কোন সীমা অতিক্রম করলে তা নিষিদ্ধ ও গুনাহের অন্তর্ভুক্ত হবে”?

প্রশ্ন:
“সালাতরত ব্যক্তির সামনে দিয়ে অতিক্রম করার বিধান কী?এ বিষয়ে শরয়ী সীমা কতটুকু?বিশেষ করে,যদি কোনো মুসল্লির সামনে সুতরা (আড়াল) না থাকে,তাহলে তার থেকে কতটুকু দূরত্ব বজায় রেখে অতিক্রম করা বৈধ হবে এবং কোন সীমা অতিক্রম করলে তা নিষিদ্ধ ও গুনাহের অন্তর্ভুক্ত হবে”?
▬▬▬▬▬▬▬◖❂◗▬▬▬▬▬▬▬
সালাতরত ব্যক্তির সামনে দিয়ে অতিক্রম করা শরীয়তে নিষিদ্ধ।এ বিষয়ে রাসূলুল্লাহ ﷺ– কঠোর সতর্কবাণী প্রদান করেছেন।তিনি বলেন:“যদি নামাযরত ব্যক্তির সামনে দিয়ে অতিক্রমকারী জানত এতে তার কত বড় গুনাহ রয়েছে,তবে তার সামনে দিয়ে অতিক্রম করার চেয়ে চল্লিশ (দিন,মাস বা বছর) দাঁড়িয়ে থাকা তার জন্য অধিক উত্তম হতো।”(সহীহ বুখারী, হা/৫১০) তবে যদি কোনো ব্যক্তি এমন দূর দিয়ে অতিক্রম করে,যা ‘উর্ফ’ (সাধারণ মানুষের প্রচলিত দৃষ্টিভঙ্গি ও অভ্যাস) অনুযায়ী আর ‘মুসল্লির সামনে দিয়ে অতিক্রম’ বলে গণ্য না হয়, তাহলে সে গুনাহ থেকে মুক্ত থাকবে।কারণ,শরীয়তের দৃষ্টিতে তখন তাকে মুসল্লির সামনে দিয়ে অতিক্রমকারী বলা হবে না;বরং সে সুতরার ওপাশ দিয়ে গমনকারীর হুকুমের অন্তর্ভুক্ত হবে।অন্যদিকে,জমহুর (অধিকাংশ) ফকীহ ও আলেমের মতে এ ক্ষেত্রে একটি শরয়ী পরিমাপও রয়েছে।তা হলো:
- দাঁড়ানোর স্থান থেকে:মুসল্লির দুই পায়ের স্থান থেকে প্রায় তিন হাত (প্রায় দেড় মিটার) পর্যন্ত।
- সিজদার স্থান থেকে:মুসল্লির সিজদার স্থানের সামনে এমন পরিমাণ ফাঁকা জায়গা, যেখানে একটি বকরি বা ভেড়া সহজে চলাচল করতে পারে।অতএব,মুসল্লির থেকে উল্লিখিত সীমার বাইরে দিয়ে অতিক্রম করলে তা আর ‘মুসল্লির সামনে দিয়ে অতিক্রম’ হিসেবে গণ্য হবে না।এটি বহু প্রখ্যাত ফকীহের অভিমত, এবং তাদের এ মতের পক্ষে সহীহ হাদীস থেকে প্রমাণও রয়েছে।সাহাবী সাহল ইবনু সা‘দ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেন:“রাসূলুল্লাহ ﷺ–এর সালাতের স্থান ও দেয়ালের মধ্যবর্তী দূরত্ব ছিল একটি ভেড়া চলাচল করতে পারে এমন পরিমাণ।”(সহীহ বুখারী, হা/৪৭৪)
এছাড়া নাফি‘ (রহিমাহুল্লাহ) বর্ণনা করেন, আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) কাবাঘরে প্রবেশ করলে সামনে প্রায় তিন হাত পরিমাণ জায়গা রেখে সালাত আদায় করতেন।তিনি সেই স্থানটিকেই অনুসরণ করতেন,যেখানে বিলাল (রাদিয়াল্লাহু আনহু) তাঁকে জানিয়েছিলেন যে, নবী ﷺ–সালাত আদায় করেছিলেন।(সহীহ বুখারী, হা/ ৪৮৪)
.
❑ বিদ্বানদের অভিমত।
________
.
(১).সৌদি আরবের সাবেক গ্র্যান্ড মুফতি,শাইখ ইবন বায (রহিমাহুল্লাহ) [মৃত: ১৪২০ হি./১৯৯৯ খ্রি.] বলেন—
«إذا كان له سترة يكون من وراء السترة،ثم من وراء السترة،أما إن كان ما عنده سترة تبتعد عنه أكثر من ثلاثة أذرع،تكون بعيدا عن محل قدميه، أكثر من ثلاثة أذرع حتى لا تمر بين يديه.»
“যদি সলাত আদায়কারীর সামনে সুতরা থাকে,তবে (গমনকারী) তার সুতরার পেছন দিয়ে অতিক্রম করবে।আর যদি তার সামনে কোনো সুতরা না থাকে,তবে (গমনকারী) তার থেকে তিন হাতের (তিন যিরা) বেশি দূর দিয়ে অতিক্রম করবে।অর্থাৎ,তার পা রাখার স্থান থেকে তিন হাতের অধিক দূরত্বে থাকবে,যাতে তাকে সলাতরত ব্যক্তির সামনে দিয়ে অতিক্রমকারী হিসেবে গণ্য না করা হয়।”
(ফাতাওয়া নূরুন আলাদ-দার্ব ইবন বায, খন্ড: ৯;পৃষ্ঠা: ৩৩০)
.
(২).শাইখ মুহাম্মাদ নাসিরুদ্দীন আল-আলবানী (রহিমাহুল্লাহ) [মৃত: ১৪২০ হি./১৯৯৯ খ্রি.] বলেন—
«يجب أن يعلم السَّائل بأن حكم المرور سواء في المسجد أو خارج المسجد،وسواء كان المسجد كبيرًا أم صغيرًا،سواء كان في الأربعين ذراعًا أو أقل أو أكثر؛فلا يجوز المرور بين يدي المصلي، والمقصود بهذا الممنوع من المرور هو المرور بين المصلي وموضع سجوده،بين المصلي وبين موضع سجوده،يعني إذا كان بين قيامه وبين موضع سجوده مثلًا متر،فمرَّ المارُّ وراء المتر؛هذا شرعًا لا يُعتبر أنه مرَّ بين يدي المصلي،ولكن إذا مرَّ في حدود هالسنتيمترات اللي هي متر في أيِّ مكان مرَّ فهو آثم؛لا يجوز له المرور.وهذا كما قلت لكم لا فرق بين المسجد وبين غير المسجد،لا فرق بين مسجد صغير ومسجد كبير،وما جاء ذكره في بعض كتب المذاهب الفقهية أنُّو المسجد إذا كان أصغر من أربعين في أربعين فهو الذي يُمنع فيه المرور، أما إذا كان أكبر من ذلك فلا بأس من ذلك،هذا من جملة الأحكام التي قِيلت بآراء واجتهادات لم يستطيعوا حتى اليوم أن يأتوا لها بما يدعمه من دليل من السنة فضلًا عن الكتاب.إذًا المسافة هاللي ممكن يمرُّ من ورائها المارُّ بين يدي المصلي هي من وراء موضع السجود،لكن المصلي يجب أن يضع سترة،ويجب أن يضع سترة مش معناها أنُّو يعني يغرزها،وإنما يأتي هو إليها مثلًا في المسجد يصلي وراء سارية،يصلي أمام الجدار القبلي،يصلي خلف كرسي،يعني وسائل كثيرة وكثيرة جدًّا.»
“প্রশ্নকারীকে এটি জানা উচিত যে,মুসল্লির সামনে দিয়ে অতিক্রম করার বিধান;তা মসজিদে হোক বা মসজিদের বাইরে,মসজিদ বড় হোক বা ছোট,কিংবা চল্লিশ হাতের কম বা বেশি সব ক্ষেত্রেই সমান।অর্থাৎ,মুসল্লির সামনে দিয়ে অতিক্রম করা কোনোভাবেই বৈধ নয়।এখানে ‘মুসল্লির সামনে দিয়ে অতিক্রম করা’ বলতে মূলত মুসল্লি ও তার সিজদার স্থানের মাঝখান দিয়ে অতিক্রম করাকে বোঝানো হয়েছে।(অর্থাৎ মুসল্লি যেখানে দাঁড়িয়ে আছে এবং যেখানে সে সিজদা করবে,সেই স্থানের মধ্যবর্তী অংশ।)
উদাহরণসরূপ;যদি কোনো ব্যক্তি দাঁড়ানোর স্থান থেকে সিজদার স্থান পর্যন্ত দূরত্ব আনুমানিক এক মিটার হয় এবং কোনো পথচারী সেই এক মিটারের বাইর/পেছন দিয়ে অতিক্রম করে,তবে শরিয়তের দৃষ্টিতে তাকে ‘মুসল্লির সামনে দিয়ে অতিক্রমকারী’ ধরা হবে না।কিন্তু সে যদি এই এক মিটার সীমার মধ্য দিয়ে (অর্থাৎ মুসল্লি ও তার সিজদার স্থানের মাঝখানের যেকোনো অংশ দিয়ে) অতিক্রম করে,তবে সে গুনাহগার হবে।তার জন্য এভাবে যাওয়া কোনোক্রমেই জায়েয নয়।
আমি যেমনটি বললাম,এ বিধানের ক্ষেত্রে মসজিদ ও মসজিদের বাইরের জায়গার মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই;আবার ছোট মসজিদ ও বড় মসজিদের মধ্যেও কোনো পার্থক্য নেই।
মাযহাবের কিছু ফিকহী কিতাবে যা উল্লেখ পাওয়া যায়;‘মসজিদ যদি ৪০ × ৪০ হাতের চেয়ে ছোট হয়,তবেই কেবল সামনে দিয়ে অতিক্রম করা নিষিদ্ধ;আর যদি এর চেয়ে বড় হয়,তবে সমস্যা নেই’।এ ধরনের বক্তব্য মূলত কিছু ব্যক্তিগত রায় ও ইজতিহাদের অংশ।এর পক্ষে তারা আজ পর্যন্ত সুন্নাহ তো দূরের কথা, কুর’আন থেকেও কোনো দলিল উপস্থাপন করতে পারেননি।সুতরাং,কোনো পথচারী যে সীমার পেছন দিয়ে নিরাপদে অতিক্রম করতে পারে,তা হলো মুসল্লির সিজদার স্থানের পেছনের অংশ।তবে মনে রাখতে হবে, মুসল্লির জন্যও একটি ‘সুতরা’ (আড়াল) গ্রহণ করা আবশ্যক।আর সুতরা গ্রহণ করা মানেই যে মাটিতে জোর করে কিছু গেঁথে দাঁড় করাতে হবে বিষয়টি এমন নয়।বরং মুসল্লি নিজেই কোনো সুতরার কাছে গিয়ে সালাতে দাঁড়াবে।
আর সুতরা গ্রহণ মানেই মাটিতে কিছু গেঁথে দাঁড় করানো নয়;বরং সে নিজেই কোনো সুতরার কাছে গিয়ে নামাজ পড়বে।যেমন, মসজিদে কোনো স্তম্ভের পেছনে,কিবলামুখী দেয়ালের সামনে,অথবা একটি চেয়ারের পেছনে।সুতরা হিসেবে ব্যবহার করার মতো বহু সহজ মাধ্যম আমাদের চারপাশে রয়েছে।”(শাইখ মুহাম্মাদ নাসিরুদ্দীন আল-আলবানী (রহ.), সিলসিলাতু আল-হুদা ওয়ান-নূর কন্টেন্ট নং—৬২৬৩;তাসজিলাত মুতাফাররিকাহ ক্যাসেট নং—১৯৪;সময়সীমা: ১৯ মিনিট ১৮ সেকেন্ড)
.
(৩).শাইখ মুহাম্মাদ বিন সালিহ আল-‘উসাইমীন (রহিমাহুল্লাহ) [মৃত: ১৪২১ হি./২০০১ খ্রি.] বলেন—
«كثير من أهل العلم يقولون إن المراد بما بين يديه مسافة ثلاثة أذرع أي متر ونصف تقريباً من قدميه.
وبعض العلماء يقول:ما بين يديه هو منتهى سجوده يعني موضع جبهته،وما وراء ذلك فإنه لا حق له فيه؛لأن الإنسان يستحق من الأرض ما يحتاج إليه في صلاته،وهو لا يحتاج في صلاته، إلى أكثر من موضع سجوده،وهذا القول هو الأصح عندي،وهو أن المصلي إذا لم يكن له سترة فإن منتهى المكان المحترم له هو موضع سجوده،وما وراء مكان جبهته من السجود لا حق له فيه ولا يضره من مر من ورائه.»
“অনেক আলেমের মতে,‘মুসল্লির সামনে’ বলতে তার দুই পা থেকে প্রায় তিন হাত পরিমাণ দূরত্বকে বোঝায়;অর্থাৎ আনুমানিক দেড় মিটার পর্যন্ত।আবার কিছু আলেমের মতে,‘মুসল্লির সামনে’ বলতে তার সিজদার শেষ সীমা,অর্থাৎ যেখানে তার কপাল স্পর্শ করে;সেই স্থানকে বোঝায়।এর বাইরের স্থানের ওপর তার কোনো বিশেষ অধিকার নেই।কারণ,একজন মানুষ সালাতে যতটুকু জায়গার প্রয়োজন,কেবল ততটুকুরই অধিকার রাখে;আর সালাতের জন্য সিজদার স্থানের অতিরিক্ত কোনো জায়গার প্রয়োজন তার হয় না।আমার নিকট এই দ্বিতীয় মতটিই অধিক বিশুদ্ধ।তা হলো;যদি মুসল্লির সামনে কোনো সুতরা (আড়াল) না থাকে,তবে তার জন্য সংরক্ষিত স্থানের শেষ সীমা হলো তার সিজদার স্থান পর্যন্ত।সিজদায় কপাল রাখার স্থানের ওপাশ দিয়ে কেউ অতিক্রম করলে তাতে তার কোনো অধিকার বা বাধা দেওয়ার সুযোগ নেই এবং তা তার সালাতেরও কোনো ক্ষতি করবে না।”(মাজমা’উ ফাতাওয়া ওয়া রাসায়েল ইবনে উসাইমিন, খন্ড: ১৩;পৃষ্ঠা: ৩২১)
.
(৪).শাইখ সালিহ ইবন ফাওযান আল-ফাওযান (হাফিযাহুল্লাহ) [জন্ম: ১৩৫৪ হি./১৯৩৫ খ্রি.] বলেন—
«المصلي إن صلّى إلى سترة حرم المرور بينه وبين سترته،وكذا لو اتخذ سجادة يصلي عليها،فإن هذه السجادة محترمة،فلا يحل لأحد أن يمر بين يدي المصلي فيها.فإن كان المصلي إلى غير سترة،فإن المحرم ما بين قدمه وموضع سجوده،فلا يحل لأحد أن يمر في هذا الموضع،وإنما قيّد بذلك على الأظهر؛لأن المصلي لا يستحق أكثر مما يحتاج إليه في صلاته،فليس له الحق أن يمنع الناس مما لا يحتاجه،فإن بعُد المار سلم من الإثم؛لأنه إذا بعُد عنه عرفاً لا يسمى ماراً بين يديه،فهو كالذي يمر من وراء السترة.»
“যদি কোনো মুসল্লি সুতরার (আড়ালের) দিকে মুখ করে সালাত আদায় করে,তবে তার ও তার সুতরার মাঝখান দিয়ে অতিক্রম করা হারাম।অনুরূপভাবে,সে যদি সালাতের জন্য কোনো জায়নামাজ ব্যবহার করে,তবে সেই জায়নামাজটিও সংরক্ষিত ও সম্মানযোগ্য; ফলে জায়নামাজের ভেতরে মুসল্লির সামনে দিয়ে কারও অতিক্রম করা বৈধ নয়।আর মুসল্লি যদি সুতরা ছাড়া সালাত আদায় করে, তবে (যাতায়াতের) নিষিদ্ধ স্থান হলো;তার দুই পা থেকে সিজদার স্থান পর্যন্ত।সুতরাং এই অংশের মধ্য দিয়ে কারও অতিক্রম করা বৈধ নয়।অধিকতর বিশুদ্ধ মত অনুযায়ী,এই সীমার মধ্যে নিষেধাজ্ঞা নির্দিষ্ট করার কারণ হলো;সালাতে যতটুকু জায়গার প্রয়োজন, মুসল্লি কেবল ততটুকুরই অধিকার রাখে।তাই নিজের প্রয়োজনের অতিরিক্ত স্থানে মানুষের চলাচলে বাধা দেওয়ার অধিকার তার নেই।
অতএব,অতিক্রমকারী ব্যক্তি যদি এই সীমার দূর দিয়ে অতিক্রম করে,তবে সে গুনাহ থেকে বেঁচে যাবে।কারণ,সাধারণ নিয়ম (প্রচলিত ধারণা) বা ‘উর্ফ’ অনুযায়ী তখন তাকে ‘মুসল্লির সামনে দিয়ে অতিক্রমকারী’ বলা হয় না;বরং তার বিধান সেই ব্যক্তির মতো,যে সুতরার পেছন দিয়ে অতিক্রম করে।”
(মিনহাতুল ‘আলাম ফি শারহি বুলুগিল মারাম সালিহ আল-ফাওজান, খন্ড: ২;পৃষ্ঠা: ৪০২)
.
শেষ কথা:সুতরাং,সালাতরত ব্যক্তির সামনে দিয়ে অতিক্রম করা শরীয়তে নিষিদ্ধ এবং এতে কঠোর সতর্কবাণী এসেছে।তবে মুসল্লির সামনে সুতরা না থাকলে,তার প্রয়োজনীয় সালাতের স্থান অতিক্রম না করে যথেষ্ট দূর দিয়ে চললে তা নিষিদ্ধ হবে না।এ ক্ষেত্রে বহু আলেমের মতে তিন হাত পর্যন্ত দূরত্ব বিবেচ্য হলেও,অধিক বিশুদ্ধ মত অনুযায়ী নিষিদ্ধ সীমা হলো মুসল্লির দুই পা থেকে তার সিজদার স্থান পর্যন্ত।এর বাইরে দিয়ে অতিক্রম করলে সাধারণভাবে তা ‘মুসল্লির সামনে দিয়ে অতিক্রম’ হিসেবে গণ্য হবে না এবং গুনাহও হবে না ইনশা’আল্লাহ।“সংকলনে” ▬▬▬🍀🍀🍀🍀▬▬▬
✍️ Maydul Bin Emdadul Hoque
💦💦🚥💦💦🚥💦💦🚥💦💦🚥💦💦



