
ব্র্যান্ডেড সয়াবিন তেল: প্রায় 52টি মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা/গ্রাম।
অতি সাম্প্রতিক এক গবেষণা। লিংক কমেন্টে। সমস্যা হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের এসব গবেষণায় ফান্ড কম থাকে। তাই সব তেল করতে পারে নাই সম্ভবত।
সয়াবিন করলে, সরিষা, রাইস ব্রান, পাম ওয়েল, সূর্যমুখীর তেলের কী অবস্থা, সেটাও তো পরীক্ষা করে দেখা দরকার।
এরপর ২০২৬ সালের আরও বড় একটি বাংলাদেশি গবেষণায় কাঁচা দুধ, ব্র্যান্ডেড তরল দুধ ও বিভিন্ন দুগ্ধজাত পণ্য একসঙ্গে পরীক্ষা করা হয়। সেখানে: লিংক কমেন্টে
ব্র্যান্ডেড তরল দুধে গড়ে ১৫৬ কণা/১০০ মি.লি. (অর্থাৎ প্রায় ১,৫৬০ কণা/লিটার) পাওয়া গেছে।
কাঁচা দুধে গড়ে ৯৩ কণা/১০০ মি.লি.
প্রক্রিয়াজাত দুগ্ধপণ্যে গড়ে ৭১ কণা/১০০ মি.লি. পাওয়া গেছে।
বাংলাদেশের বাজারে বিক্রি হওয়া গুঁড়ো দুধ (১৯টি ব্র্যান্ড; শিশু ও সাধারণ দুধ মিলিয়ে) নিয়ে ২০২৪ সালের গবেষণায়:
গড়ে ২৭৯টি মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা/কেজি পাওয়া গেছে।
সর্বনিম্ন প্রায় ১২০টি/কেজি, সর্বোচ্চ প্রায় ৫৭০টি/কেজি।
গবেষণায় বলা হয়েছে, গুঁড়ো দুধে তরল দুধের তুলনায় বেশি মাইক্রোপ্লাস্টিক ছিল এবং শিশুরা প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় প্রায় ৩.৪৩ গুণ বেশি এক্সপোজারের ঝুঁকিতে থাকে। (লিংক কমেন্টে)।
এসব টেস্ট কে করবে? করার দায়িত্ব ফুড সেইফটি অথোরিটি এবং বিএসটিআই এর। কিন্তু তাদের নড়াচড়া তো মোটেই সন্তোষজনক নয়।
টুথপেষ্ট এর বিষয়ে হাইকোর্ট এর নির্দেশ। সরকারের নির্দেশ। খুব ভাল কথা। বাকি সব খাদ্যের নির্দেশ কে দেবে!! তদন্ত কমিটি কে করবে!!
সয়াবিন আর পাম তেলে তো মাত্রাতিরিক্ত মার্কারি (হেভিমেটাল) পাওয়া গেছে। আমরা কোন তেল খাব? বিজ্ঞানসম্মতভাবে প্রমাণিত নিরাপদ কোন তেল!!
প্রতিটি খাবারেই ক্যান্সার সৃষ্টিকারী উপাদান যাচ্ছে আমাদের শরীরে মারাত্মক পরিমাণে এবং রাতে ঘুমাবার আগ পর্যন্ত তা যোগ হয়ে ডেইলি ইন্টেক হবে ভয়াবহ মাত্রায়।
আজ তিনটা টিভি থেকে ফোন করেছিল নিরাপদ খাদ্য নিয়ে টক শো করার জন্য। না বলে দিয়েছি। কিছুই বলতে ইচ্ছে করে না আর। সবাই কন্টেন্ট দেখে। এসব কেউ দেখে না।



