
আলোচনা সভায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিভিন্ন স্তরের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। বক্তারা জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ ও ভূমিকা স্মরণ করার পাশাপাশি আন্দোলনের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন, ভবিষ্যৎ করণীয় এবং রাষ্ট্রকাঠামো পুনর্গঠন নিয়ে মতামত তুলে ধরেন।
আলোচনায় উঠে আসে যেসব বিষয়
অবদান ও আত্মত্যাগ
জুলাই আন্দোলনের কঠিন সময়ে রাজপথে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ এবং আন্দোলনকে বেগবান করতে তাঁদের ভূমিকার কথা গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়।
প্রাপ্তি ও অপ্রাপ্তি
গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা কতটা পূরণ হয়েছে এবং কোন কোন ক্ষেত্রে এখনো ঘাটতি রয়েছে—তা নিয়ে বক্তারা খোলামেলা আলোচনা করেন।
ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রভাবনা
বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও সংস্কারমুখী বাংলাদেশ গঠনে তরুণ সমাজ এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ভূমিকা কী হওয়া উচিত, সে বিষয়েও মতামত দেন অংশগ্রহণকারীরা।
আলোচনায় অংশ নেওয়া বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিরা নিজেদের অভিজ্ঞতা ও মতামত তুলে ধরেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে দেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তর, রাষ্ট্র পুনর্গঠন এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কার্যক্রমে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
আলোচনা সভার মূল বার্তা:
তরুণ সমাজের অংশগ্রহণ, অভিজ্ঞতা ও প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিয়ে একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিপ্লবী ঐক্য মঞ্চের আহ্বায়ক মোঃ আবুল হাসনাত।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন –
অ্যাড: হাসনাত কাইয়ুম, সভাপতি,
রাস্ট্র সংস্কার আন্দোলন
ড. এ,কে,এম ওয়ারেসুল করিম
ডীন
বিজনেস ফ্যাকাল্টি
নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়
ড. জাফর সিদ্দিকী, অধ্যাপক, এসিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়



