দেশ

কোরআনের আলো ছড়িয়ে দেওয়াই লক্ষ্য, এগিয়ে যাচ্ছে মনির আহমদ ফাউন্ডেশন

আপরাধ বিচিত্রা ডেস্ক: চট্টগ্রামের কাথরিয়া, বাঁশখালী দারুল উলুম হামিউসসুন্নাহ বালক-বালিকা মাদ্রাসা, হিফজখানা, এতিমখানা ও ইসলামী কিডস গার্ডেনের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মাঝে পবিত্র কোরআন শরিফ বিতরণ করা হয়েছে। সমাজসেবামূলক প্রতিষ্ঠান ‘আলহাজ্ব মনির আহমদ ফাউন্ডেশন’-এর উদ্যোগে ৩ অক্টোবর মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে এক আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে এ কোরআন বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা এ কিউ এম মোসলেহ উদ্দিনের উদ্বোধনে এবং মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ রুমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রোটারিয়ান এস এম আজিজ।

অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন মাই টিভি চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান নুরুল কবির।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ‘আসক ফাউন্ডেশন’ চট্টগ্রাম বিভাগের সভাপতি লায়ন ফরহাদুল হাসান মোস্তফা। আরও উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও মেসার্স নাবিস ট্রেডিংয়ের স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ সেলিম উল্লাহ।

পুরো অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত সাবলীলভাবে সঞ্চালনা করেন মুহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রোটারিয়ান এস এম আজিজ বলেন, শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তোলা আমাদের দায়িত্ব। কোরআনের শিক্ষা তাদের আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আলহাজ্ব মনির আহমদ ফাউন্ডেশনের এ উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়।

প্রধান বক্তা নুরুল কবির বলেন, পবিত্র কোরআন মানবজাতির জন্য হেদায়েত ও পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান। শৈশব থেকেই শিক্ষার্থীদের কোরআনের শিক্ষা ও নৈতিক মূল্যবোধে গড়ে তুলতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

উদ্বোধকের বক্তব্যে আলহাজ্ব মনির আহমদ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা এ কিউ এম মোসলেহ উদ্দিন বলেন, শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করা এবং প্রতিটি ঘরে কোরআনের হেদায়েতের আলো পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য। মানবিক ও আদর্শ সমাজ গঠনে ফাউন্ডেশনের এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ‘আসক ফাউন্ডেশন’ চট্টগ্রাম বিভাগের সভাপতি লায়ন ফরহাদুল হাসান মোস্তফা বলেন, “মানবিক মূল্যবোধ ও নৈতিক শিক্ষার বিকাশে এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও মেসার্স নাবিস ট্রেডিংয়ের স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ সেলিম উল্লাহ বলেন, “শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষায় উৎসাহিত করতে এ ধরনের মহতী উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানে মাদ্রাসার শিক্ষক, সাধারণ শিক্ষার্থী এবং এলাকার স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

আনুষ্ঠানিক আলোচনা সভা শেষে অতিথিবৃন্দ অত্যন্ত শ্রদ্ধার সঙ্গে সারিবদ্ধভাবে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের হাতে পবিত্র কোরআন শরিফ তুলে দেন। এ সময় নতুন কোরআন পেয়ে খুদে শিক্ষার্থীদের মুখে আনন্দের হাসি ফুটে ওঠে এবং পুরো মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে এক পরম ধর্মীয় অনুভূতি ও উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। শেষে দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button