অপরাধশিক্ষা

কুমিল্লা সদর দক্ষিণের কমলপুর, লামপুর ও ফিরিঙ্গীরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ

এম শাহীন আলম: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে একাধিক বিদ্যালয়ে অনিয়ম, সদস্যদের যোগ্যতা নির্ধারণে অসংগতি এবং অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক পরিচয়ের সত্যতা নিয়ে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। কমলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, লামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ফিরিঙ্গীরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রস্তাবিত বা গঠিত কমিটিতে সভাপতির দায়িত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সদস্য হওয়ার ক্যাটাগরি, শিক্ষাগত যোগ্যতা, পেশাগত পরিচয় এবং স্থানীয় এলাকার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা নিয়ে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে কেউ কখনো শিক্ষকতা না করেও অবসরপ্রাপ্ত কওমী শিক্ষক হিসেবে, আবার কেউ সরকারি চাকরি না করেও অবসরপ্রাপ্ত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে সদস্য ক্যাটাগরিতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন বলে দাবি করা হচ্ছে। এসব তথ্য সঠিক হলে কমিটি গঠনের স্বচ্ছতা, যোগ্যতা যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট বিধিমালা অনুসরণের বিষয়টি খতিয়ে দেখা জরুরি।

কমলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়: স্নাতক পাসের পরও অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক পরিচয়: কমলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি করা হয়েছে সালমান ফারসিকে। অভিযোগ অনুযায়ী, কমিটিতে তাঁর সদস্য হওয়ার ক্যাটাগরি দেখানো হয়েছে অবসরপ্রাপ্ত কওমী শিক্ষক হিসেবে।

সরেজমিনে অনুসন্ধানে জানা যায়, সালমান ফারসি ২০২৪ সালে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন এবং তিনি এখনো চাকরিপ্রার্থী। তিনি কখনো কওমী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করেছেন কি না, কিংবা শিক্ষকতা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবসর নিয়েছেন কি না তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

একজন ব্যক্তিকে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক হিসেবে বিবেচনা করতে হলে তাঁর শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা এবং অবসর গ্রহণের তথ্য যাচাই করা জরুরি। তিনি যদি কখনো শিক্ষকতাই না করে থাকেন, তাহলে কোন নথির ভিত্তিতে তাঁকে অবসরপ্রাপ্ত কওমী শিক্ষক ক্যাটাগরিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ব্যাখ্যা দাবি সচেতন মহলের।

লামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়: সরকারি চাকরি না করেও অবসরপ্রাপ্ত সরকারি শিক্ষক? লামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি করা হয়েছে আবদুল করিম (বিপ্লব) নামের এক ব্যক্তিকে। অভিযোগ অনুযায়ী, তাঁর সদস্য হওয়ার ক্যাটাগরি দেখানো হয়েছে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক।

সরেজমিনে অনুসন্ধানে জানা যায়, আবদুল করিম (বিপ্লব) কখনো সরকারি চাকরি করেননি। তিনি একটি বেসরকারি কমিউনিটি স্কুলে আনুমানিক পাঁচ থেকে সাত বছর চাকরি করার পর চাকরি ছেড়ে প্রবাসে চলে যান। অর্থাৎ, তাঁর পেশাগত ইতিহাসের সঙ্গে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের পরিচয়ের সামঞ্জস্য রয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

কোনো ব্যক্তি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করে থাকলে তাঁর সেই অভিজ্ঞতা অবশ্যই যাচাইযোগ্য। কিন্তু বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করার তথ্যের ভিত্তিতে তাঁকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে গণ্য করা যায় না। সংশ্লিষ্ট ক্যাটাগরিতে অন্তর্ভুক্তির জন্য প্রযোজ্য নীতিমালায় কী যোগ্যতা নির্ধারণ করা হয়েছে, সেটিই এখানে গুরুত্বপূর্ণ।

স্থানীয় বাসিন্দা না হওয়ার অভিযোগ ও স্থানীয় রাজনৈক নেতার স্বজনপ্রীতির প্রশ্ন: আবদুল করিম (বিপ্লব) সম্পর্কে আরও অভিযোগ রয়েছে, তিনি লামপুর গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা নন; তিনি গলিয়ারা ইউনিয়নের ফুলতলি গ্রামের বাসিন্দা এবং বর্তমানে লামপুর গ্রামে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করেন বলে জানা যায়। অন্যদিকে, বিদ্যালয়টি পূর্ব জোড়কানন ইউনিয়নে অবস্থিত।
এমতাবস্থায় বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য হওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর স্থানীয় সংশ্লিষ্টতা প্রযোজ্য নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, তা যাচাই করা দরকার। শুধু ভাড়াটিয়া হওয়া বা অন্য গ্রামে বাড়ি থাকা থেকেই তাঁর অযোগ্যতা প্রমাণিত হয় না; বরং সংশ্লিষ্ট বিধিমালায় বসবাস, অভিভাবকত্ব কিংবা এলাকার সঙ্গে সম্পর্কের যে শর্ত রয়েছে, তা অনুসরণ করা হয়েছে কি না, সেটিই নির্ধারণী বিষয়।

সরেজমিনে অনুসন্ধানে স্থানীয়দের বক্তব্য অনুযায়ী জানা যায়, স্থানীয় ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আমান চৌধুরীর বোনের জামাই হওয়ার কারণে আবদুল করিম (বিপ্লব) সভাপতির পদ পেয়েছেন। এই দাবির পক্ষে স্বাধীন ও যাচাইযোগ্য প্রমাণ পাওয়া গেলে তা স্বজনপ্রীতির অভিযোগকে আরও গুরুত্বের সঙ্গে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

ফিরিঙ্গীরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়: শিক্ষকতা না করেও অবসরপ্রাপ্ত কওমী শিক্ষক! ফিরিঙ্গীরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রস্তাবিত ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হিসেবে আবুল কালাম মজুমদারের নাম প্রস্তাব করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। তাঁর সদস্য হওয়ার ক্যাটাগরি দেখানো হয়েছে অবসরপ্রাপ্ত কওমী শিক্ষক।

সরেজমিনে স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, আবুল কালাম মজুমদার কখনো শিক্ষকতা করেননি। এমনকি তিনি স্নাতক ডিগ্রিধারী নন বলে তারা গণমাধ্যমকে জানান। অথচ বিদ্যালয়ের ক্যাচমেন্ট এলাকার মধ্যে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি শিক্ষক বা কর্মচারীদের মধ্যে স্নাতক ডিগ্রিধারী ব্যক্তি রয়েছেন বলে দাবি করা হচ্ছে।
এ ক্ষেত্রে দুটি বিষয় বিশেষভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। প্রথমত, আবুল কালাম মজুমদারের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা ও অবসর গ্রহণের তথ্য আদৌ রয়েছে কি না। দ্বিতীয়ত, প্রযোজ্য নীতিমালা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট ক্যাটাগরিতে সদস্য হওয়ার জন্য কী ধরনের শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং পেশাগত অভিজ্ঞতা আবশ্যক।

যদি প্রমাণিত হয় যে তিনি কখনো শিক্ষকতা করেননি, অথচ তাঁকে অবসরপ্রাপ্ত কওমী শিক্ষক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, তাহলে ওই পরিচয়ের ভিত্তি এবং তথ্য যাচাইয়ের প্রক্রিয়া নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠবে। একইভাবে, শিক্ষাগত যোগ্যতা বাধ্যতামূলক হলে তাঁর সনদ যাচাই ছাড়া তাঁকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে কি না, সেটিও তদন্তের বিষয়।

সবচেয়ে গুরুতর অনিয়ম হয়েছে ১২ নম্বর সদস্য ক্যাটাগরিকে ঘিরে: সরকারি প্রজ্ঞাপন ও নীতিমালা অনুযায়ী, তিনটি বিদ্যালয়ের কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে বিশেষ করে ১২ নম্বর সদস্য ক্যাটাগরিতে তথ্যের সত্যতা যাচাই না করে ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করার অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, এই ক্যাটাগরিতে সদস্য মনোনয়নের ক্ষেত্রে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে।

কমিটি গঠনে স্বচ্ছতা নিয়ে সমালোচনা? সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম, পরিবেশ, উন্নয়ন এবং প্রশাসনিক সহযোগিতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ ধরনের কমিটিতে সদস্য অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে পরিচয়, যোগ্যতা ও প্রযোজ্য শর্ত যথাযথভাবে যাচাই করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

উপরোক্ত অভিযোগগুলো সত্য হলে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়গুলোর কমিটি গঠনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিয়ে প্রশ্ন দেখা দেবে। একই সঙ্গে, যথাযথ যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও অন্য ব্যক্তিদের বাদ দিয়ে বিতর্কিত পরিচয়ের ভিত্তিতে কাউকে সভাপতি করা হয়েছে কি না, সেটিও সুষ্ঠু নিরপেক্ষ তদন্তের দাবী।

কমিটির সচ্ছলতা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে যেসব প্রশ্নের জবাবদিহিতা ও উত্তর জরুরি:

১. কমলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সালমান ফারসিকে ‘অবসরপ্রাপ্ত কওমী শিক্ষক’ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার ভিত্তি কী? তাঁর শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা ও অবসর গ্রহণের প্রমাণপত্র রয়েছে কি?

২. লামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আবদুল করিম (বিপ্লব) কখনো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন কি না? করে থাকলে তাঁর নিয়োগ ও অবসর গ্রহণের নথি কোথায়?

৩. ফিরিঙ্গীরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আবুল কালাম মজুমদারকে ‘অবসরপ্রাপ্ত কওমী শিক্ষক’ হিসেবে দেখানোর ভিত্তি কী? তাঁর শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা এবং প্রয়োজনীয় যোগ্যতা যাচাই করা হয়েছে কি?

৪. তিনটি বিদ্যালয়ের কমিটি গঠনের সময় ১২ নম্বর সদস্য ক্যাটাগরির জন্য কোন সরকারি নীতিমালা অনুসরণ করা হয়েছে?

৫. সদস্যদের পরিচয় ও যোগ্যতা যাচাইয়ের দায়িত্বে কারা ছিলেন এবং তাঁদের যাচাইয়ের নথি সংরক্ষিত আছে কি?

৬. স্থানীয় এলাকার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা, অভিভাবকত্ব, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও পেশাগত পরিচয়সংক্রান্ত শর্ত থাকলে তা প্রত্যেক সদস্যের ক্ষেত্রে সমানভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে কি?

৭. অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট কমিটি পুনর্বিবেচনা, সংশোধন কিংবা বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি?

তিনটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত ও নথি যাচাইয়ের দাবি সচেতন মহলের :

কমলপুর, লামপুর ও ফিরিঙ্গীরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠন ঘিরে ওঠা অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল। তাঁদের দাবি, সংশ্লিষ্ট উপজেলা শিক্ষা অফিস, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ যেন প্রতিটি সদস্যের পরিচয়, শিক্ষাগত যোগ্যতা, শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা, অবসর গ্রহণের প্রমাণ এবং মনোনয়ন প্রক্রিয়া যাচাই করেন।

বিশেষ করে, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক পরিচয়ে কাউকে সদস্য করা হয়ে থাকলে তাঁর পূর্ববর্তী কর্মস্থল, নিয়োগপত্র, চাকরির রেকর্ড এবং অবসরসংক্রান্ত নথি পরীক্ষা করা জরুরি। পাশাপাশি, কমিটি গঠনের অনুমোদিত তালিকা ও সংশ্লিষ্ট সরকারি নীতিমালা মিলিয়ে দেখা হলে অভিযোগগুলোর বাস্তব ভিত্তি নির্ধারণ করা সম্ভব হবে।

উপরোক্ত অনিয়মের বিষয়ে জানতে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ফওজিয়া আকতার জানান, আমরা যা করেছি নিয়ম মেনেই করেছি। স্কুল থেকে যেভাবে যাচাই বাছাই করে পাঠিয়েছেন আমরা সেই ভাবেই অনুমোদন দিয়ে দিয়েছি। তিনি জানান আপনার আরও কিছু জানার থাকলে সরাসরি আমার অফিসে আসুন, না হয় যে স্কুল গুলোতে সমস্যা হয়েছে কি অনিয়ম হয়েছে তার তথ্য গুলো আমাকে দিন। তিনি আরো পরামর্শ দেন যে স্কুল গুলোতে অনিয়ম হয়েছে আপনি স্কুলের প্রধান শিক্ষক সহ স্থানীয় স্কুল কমিটির লোকজনের সাথে যোগাযোগ করুন।

কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ম্যানেজিং কমিটি নিয়ে অনিয়মের বিষয়ে জানতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুজন চন্দ্র রায়’কে একাধিক বার কল দিলেও তিনি কলটি রিসিভ না করে কেটে দেন।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থ, পরিচয় কিংবা প্রভাবের বিষয় নয়; এটি বিদ্যালয় ও শিক্ষার্থীদের কল্যাণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ কাঠামো। তাই কমিটি গঠনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা, যোগ্যতা যাচাই করা এবং অভিযোগের নিরপেক্ষ নিষ্পত্তি করা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব। তিনটি বিদ্যালয়ের কমিটি নিয়ে ওঠা প্রশ্নগুলোর সুরাহা হোক নথি, নীতিমালা ও নিরপেক্ষ তদন্তের ভিত্তিতে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণে এটাই প্রত্যাশা স্থানীয় সচেতন মহলের।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button