শেখ হাসিনাসহ ৪০ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট
জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকার মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় শেখ মোহাম্মদ আশিক নামে এক ছাত্রদল কর্মী আহতের ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৪০ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দিয়েছে পুলিশ।
যদিও এ ঘটনায় শেখ হাসিনাসহ ১২৯ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা ১০০-১৫০ জন আসামি করে মামলা করা হয়। তদন্ত শেষে ১২৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ায় অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদপুর থানার এসআই ফেরদৌস জামান ২০ এপ্রিল আদালতে এ অভিযোগপত্র জমা দেন।
তিনি বলেন, ‘৪০ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছি। ১২৭ জন ঘটনার সময় মোহাম্মদপুর এলাকায় ছিল না। তাদের অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে।’
অভিযোগপত্রভূক্ত অপর আসামিদের মধ্যে রয়েছেন, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাবেক সংসদ সদস্য সাদেক খান, সাবেক কাউন্সিলর আসিফ আহম্মেদ ও তারেকুজ্জামান রাজীব, ছাত্রলীগ নেতা নাঈমুল হাসান রাসেল প্রমুখ।
অব্যাহতি পাওয়া আসামিদের মধ্যে রয়েছেন, কামরুল হোসেন, ওয়াহিদ হাসান, আক্কাছ সওদাগর, মোরশেদুল আলম চৌধুরী প্রকাশ (তাজু), মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন, আব্বাস উদ্দিন, তোফাইল আহমেদ, নিখিল চন্দ্র শীল ও তোতা মোল্লা।
তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ফেরদৌস জামান বলেন, ‘শেখ হাসিনা, ওবায়দুল কাদের, আসাদুজ্জামান খান কামাল ও জাহাঙ্গীর কবির নানকদের ষড়যন্ত্র ও পূর্ব নির্দেশনা মোতাবেক অভিযোগপত্রভূক্ত অপর আসামিরা কেন্দ্রীয় নির্দেশনা মোকাবেক পরস্পর অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র করেছাত্র-জনতার আন্দোলনকে সহিংসভাবে থামানোর লক্ষ্যে সচেষ্ট ছিলেন।’
মামলার এজহার থেকে জানা যায়, জুলাই আন্দোলনের সময় ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই সকাল ৯ টা থেকে মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ডের ময়ূর ভিলা এলাকায় আন্দোলনকারীরা আন্দোলন করছিল। বেলা পৌনে ৩টার দিকে আন্দোলনকারীদের উপর লাঠিচার্জ ও গুলিবর্ষণ করা হয়।
গুলিবিদ্ধ হয়ে মারাত্মক রক্তাক্ত আহত হন আশিক। তিনি রাস্তায় পড়ে যান। মৃত ভেবে হামলাকারীরা তাকে রাস্তায় ফেলে যায়। এ ঘটনায় ২৮ সেপ্টেম্বর মোহাম্মদপুর থানায় মামলা করেন আশিক।



