
রাশেদুল ইসলাম
চট্টগ্রাম মহানগরীর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়ন ও নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন চট্টগ্রাম পুলিশ কমিশনার। তাঁর নেতৃত্বে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় অপরাধ দমন, মাদকবিরোধী অভিযান এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
পুলিশ কমিশনার বলেছেন, জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই পুলিশের প্রধান দায়িত্ব। সে লক্ষ্যেই নগরীর প্রতিটি থানাকে আরও জনবান্ধব ও সেবামুখী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সঙ্গে পুলিশের সম্পর্ক উন্নয়নের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
সাম্প্রতিক সময়ে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের বিভিন্ন অভিযানে মাদক, চোরাচালান ও অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বহু ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। এতে নগরবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিকরা।
চট্টগ্রাম পুলিশ কমিশনার নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করে বলেন, “পুলিশ ও জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই একটি নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ চট্টগ্রাম গড়ে তোলা সম্ভব।”
নাগরিক নিরাপত্তা, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং জনসেবার মানোন্নয়নে চট্টগ্রাম পুলিশ কমিশনারের নেতৃত্বে পরিচালিত কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। নেতৃত্বে নগরীর নিরাপত্তা জোরদার
চট্টগ্রাম মহানগরীর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়ন ও নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন চট্টগ্রাম পুলিশ কমিশনার। তাঁর নেতৃত্বে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় অপরাধ দমন, মাদকবিরোধী অভিযান এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
পুলিশ কমিশনার বলেছেন, জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই পুলিশের প্রধান দায়িত্ব। সে লক্ষ্যেই নগরীর প্রতিটি থানাকে আরও জনবান্ধব ও সেবামুখী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সঙ্গে পুলিশের সম্পর্ক উন্নয়নের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
সাম্প্রতিক সময়ে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের বিভিন্ন অভিযানে মাদক, চোরাচালান ও অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বহু ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। এতে নগরবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিকরা।
চট্টগ্রাম পুলিশ কমিশনার নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করে বলেন, “পুলিশ ও জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই একটি নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ চট্টগ্রাম গড়ে তোলা সম্ভব।”
নাগরিক নিরাপত্তা, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং জনসেবার মানোন্নয়নে চট্টগ্রাম পুলিশ কমিশনারের নেতৃত্বে পরিচালিত কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।



