অতিরিক্ত ইস্তিগফার মানুষকে দ্রুত সফলতার দিকে নিয়ে যায়, জানেন কেন?

অনেক মানুষ সফলতার জন্য রাত দিন পরিশ্রম করে, কিন্তু এমন একটি আমলকে অবহেলা করে, যা মানুষকে আল্লাহর রহমত ও বরকতের আরও কাছাকাছি নিয়ে যায়। সেই আমলটি হলো বেশি বেশি ইস্তিগফার করা।
হযরত নূহ (আ.) তাঁর জাতিকে বলেছিলেন
فَقُلْتُ اسْتَغْفِرُوا رَبَّكُمْ إِنَّهُ كَانَ غَفَّارًا يُرْسِلِ السَّمَاءَ عَلَيْكُم مِّدْرَارًا وَيُمْدِدْكُم بِأَمْوَالٍ وَبَنِينَ
অর্থ: তোমরা তোমাদের রবের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো। নিশ্চয়ই তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল। তিনি তোমাদের ওপর প্রচুর বৃষ্টি বর্ষণ করবেন এবং ধন সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি দ্বারা তোমাদের সাহায্য করবেন। (সূরা নূহ: ১০–১২)
রাসূলুল্লাহ (সা.) নিজেও প্রতিদিন বহুবার আল্লাহর কাছে ইস্তিগফার করতেন, যদিও তাঁর পূর্বাপর সব গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়েছিল। তাহলে আমরা, যারা প্রতিনিয়ত ভুল করি, আমাদের কত বেশি ইস্তিগফার করা উচিত!
أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ
উচ্চারণ: আস্তাগফিরুল্লাহা ওয়া আতূবু ইলাইহি।
অর্থ: আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই এবং তাঁর কাছেই তাওবা করি।
মনে রাখবেন, ইস্তিগফার কোনো শর্টকাট নয় যে পড়লেই সঙ্গে সঙ্গে দুনিয়ার সফলতা নিশ্চিত হয়ে যাবে। তবে এটি আল্লাহর ক্ষমা, রহমত, অন্তরের প্রশান্তি এবং জীবনের বরকত লাভের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। আর আল্লাহর বরকতই অনেক সময় মানুষের সফলতার পথকে সহজ করে দেন।
আজ থেকেই একটি অভ্যাস গড়ে তুলুন—প্রতিদিন অন্তত ১০০ বার ইস্তিগফার পড়ুন। হয়তো এই ছোট্ট আমলই আপনাকে আল্লাহর আরও কাছে নিয়ে যাবে এবং আপনার জীবনকে বরকতময় করে তুলবে। আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে বেশি বেশি ইস্তিগফার করার তাওফিক দান করুন। আমিন।



