
ডিলার ও এজেন্টদের সাথে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগক্ষতিগ্রস্ত ইলেকট্রনিক্স ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদের ব্যানারে দেশের ৬৪ জেলার ডিস্ট্রিবিউটর ও ডিলারেরা ঢাকার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন। তাদের প্রধান অভিযোগগুলো ছিল:মিথ্যা কমিশনের প্রলোভন: ডিলারদের পণ্য বিক্রির ওপর ৩৫% থেকে ৪৫% পর্যন্ত কমিশন দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও প্রকৃতপক্ষে মাত্র ২০% থেকে ২৪% কমিশন দেওয়া হয়েছে। বাকি টাকা পরিশোধ না করে ডিলারদের কোটি কোটি টাকা আটকে রাখা হয়েছে।টার্গেট পূরণে জালিয়াতি: ২০১৯ সালে ২০ লাখ ফ্রিজ বিক্রির টার্গেট পূরণের জন্য কোম্পানির প্রতিনিধিরা ডিলারদের অজান্তেই তাদের অ্যাকাউন্ট বা লেজার ব্যবহার করে অন্য খুচরা বিক্রেতাদের কাছে পণ্য সরবরাহ দেখায়, যা ডিলারদের বড় আর্থিক ক্ষতির মুখে ফেলে।টাকা নিয়ে পণ্য না দেওয়া: ডিলারদের কাছ থেকে অগ্রিম নগদ টাকা অ্যাকাউন্টে জমা নেওয়ার পরও পণ্য সরবরাহ করা হয়নি এবং পরবর্তীতে সেই টাকা ফেরত দিতেও অস্বীকৃতি জানানো হয়েছে।২. নিম্নমানের পণ্য ও গ্রাহক হয়রানির অভিযোগসামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং বিভিন্ন ফোরামে ওয়ালটনের বিভিন্ন পণ্যের (যেমন: এসি, ফ্রিজ, ল্যাপটপ/ট্যাব) মান এবং বিক্রয়োত্তর সেবা (आফটার সেলস সার্ভিস) নিয়ে গ্রাহকেরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন:বারবার একই সমস্যা: গ্রাহকদের অভিযোগ, ওয়ালটন থেকে ট্যাব বা এসি কেনার অল্পদিনের মধ্যেই চার্জিং সমস্যা বা ডিসপ্লে সমস্যা দেখা দেয়।সার্ভিস সেন্টারের উদাসীনতা: ওয়ারেন্টির মেয়াদ থাকার পরও ৫-৬ বার সার্ভিস সেন্টারে পণ্য জমা দিয়েও কোনো স্থায়ী সমাধান পাওয়া যায়নি। গ্রাহকেরা অভিযোগ করেছেন যে সার্ভিসিংয়ের নামে শুধুমাত্র সময়ক্ষেপণ এবং হয়রানি করা হয়।৩. ওয়ালটন কর্তৃপক্ষের বক্তব্য ও পাল্টা দাবিএইসব অভিযোগের বিপরীতে ওয়ালটন গ্রুপ একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে তাদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে:



