কুমিল্লা ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা তাহমিনার দুর্নীতি দেখার কেউ নেই

মো: আবদুল মান্নান: কুমিল্লার শিদলাই ইউনিয়ন ভূমি অফিসে অনিয়ম-দুর্নীতি ও ঘুস বাণিজ্য সহ প্রজাদের সাথে রুক্ষ আচরনের অভিযোগে অপরাধ বিচিত্রা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপসহকারী কর্মকর্তার বিরুদ্দে সংবাদ প্রকাশিত হলে কুমিল্লা জেলা প্রশাসক অভিযোক্ত (নায়েব) শাহজাদিকে বদলি করেন।
গত ১৯ (জানুয়ারি) ২৬ ইং অপরাধ বিচিত্রা ম্যাগাজিনের ৩৪ সংখ্যায় শিদলাই ইউনিয়ন ভূমি অফিস এখন ঘুষের ঘর-বাড়ি, ৪৩ পৃষ্ঠায় প্রকাশিত হলে স্থানীয় এলাকাবাসির মাঝে এক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়, তারপর হইতে শুরু হয় সাংবাদিক সহ নানান মহল থেকে নায়েব কে বাঁচানোর পাঁয়তারা, যখন কোনভাবেই পত্রিকা কর্তৃকপক্ষকে ম্যানেজ করা সম্ভব হয়নি ঠিক তখনই এলাকার ক্ষমাসীন দলের নেতাদের দিয়ে ফোন তদবির, অপরাধ বিচিত্রা প্রতিবেদকের পকেটে নগদ অর্থ ডুকিয়ে দেন ভূমি নায়েব অবশেষে অপরাধ বিচিত্রাকে টাকা দিয়ে যখন ম্যানেস করা সম্ভব হলই না, তখন দুর্নীতি বাজ নায়েব ঢাকার কোন এক কথিত সাংবাদিক সংঘঠনকে মোটা অংকে টাকার বিনিময়ে সন্মাননা ক্রেষ্ট ক্রয় সহ ব্যপক ভাবে চেষ্টা করে ভূমি নায়েব শাহজাদী তাহমিনা, কিন্তু অবশেষে সকল কল্পনা জল্পনার অবসান ঘটিয়ে গত ২৬ (ফেব্রুয়ারি) ২৬ ইং কুমিল্লা জেলা প্রশাসক কার্য্যালয়ের, রেভিনিউ ডেপুটি পরাগ, হারিচুর রহমান স্বাক্ষরিত যার নম্বর-০৫, ৪২, ১৯০০, ০১৬, ৩২, ০০১, ২২, ১৬৮ এ আদেশ প্রদান করেন, তাকে বদলি করা হয়েছে, কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলার যাত্রাপুর (প) ইউনিয়ন ভূমি অফিসে।
শাহজাদী তাহমিনার বদলিতে শিদলাই পুরো এলাকা জুড়ে সাধারণ প্রজাদের মাঝে চলছে ঈদের আমেজ আবার কেউ কেউ বলছে শুধুই কি তার বদলি? যিনি ঘুষ দুর্নীতির মাধ্যমে মোটা অংকের অর্থ আদায় করেন। শুধু তাই নয় গ্রাহকদের সাথে খারাপ আচরণ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। নামজারি, সাধারণ নামজারি, ‘ক’ ও ‘খ’ তফসিলভুক্ত জমির কাজও তিনি অনিয়মের মাধ্যমে সম্পন্ন করেন।
প্রস্তাব পাঠাতে নরমাল নামজারির জন্য শাহজাদী তাহমিনার নিকট কাজ নিয়ে গেলেই লাগে হাজার হাজার টাকা দিতে হয়। জমির কাজ একটু জটিল হলে ১০ হাজার থেকে ২ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ দিতে হয়।”
শুধু তাই নয় “নামজারির জোত কেটে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে অন্য জনের নামে দেয়ার মতো ঘটনাও ঘটেছে। অন্য এক ভুক্তভোগী হালিমা আক্তার বলেন, “শিদলাই ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েব টাকা ছাড়া কোনো কাজই হয় না, ঘুষ ছাড়া কেউ কাজ করে না।”
জানা যায়, শাহজাদী তাহমিনা দীর্ঘ দিন ধরে ভূমি অফিসে চাকরি করে ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন। কয়েক বছরের ব্যবধানে খারিজ, খাজনা, নামজারি, পর্চা এবং জমি সংক্রান্ত অন্যান্য কাজে ঘুষ ও দালালির মাধ্যমে অগাধ সম্পদ অর্জন করেছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, নায়েব লেনদেনের জন্য অবৈধভাবে ওমেদার নানান পন্থা ব্যবহার করেন।
এছাড়া শাহজাদী তাহমিনার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহনের মাধ্যমে তার সম্পদের হিসাব নেওয়া অতি জরুরি বলে মনে করছেন স্থানীয় ভোক্তভোগী প্রজারা তারা বলে একজন অপরাধীকে শুধু বদলি করলেন তার আমলনামা সাফ হয়না, তারা বলেন ভূমি কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুরোধ থাকবে অনতিবিলম্বে শাহজাদি তাহমিনার পুরো আমলনামা খতিয়ে দেখলে বেরিয়ে আসতে পারে থলের বিড়াল।



