
দুলাল শিকদার
চট্টগ্রাম নগরীর আকবরশাহ থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে চোরাই স্বর্ণ বিক্রির মাধ্যমে অর্জিত ১৪ লাখ ৮৮ হাজার ৮০০ টাকা এবং স্বর্ণের ওজন মাপার একটি ডিজিটাল নিক্তি উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিয়মিত মামলার তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আকবরশাহ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. কামরুজ্জামানের নির্দেশনায় থানার উপপরিদর্শক মো. মহসিন ও সহকারী উপপরিদর্শক সাইফ উল্ল্যাহ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে চোরাই স্বর্ণের বিক্রয়লব্ধ অর্থ হিসেবে ১৪ লাখ ৮৮ হাজার ৮০০ টাকা এবং স্বর্ণের ওজন মাপার একটি ডিজিটাল নিক্তি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, আকবরশাহ থানার মামলা নম্বর ৩০(০৭)২৬-এর তদন্ত ও অভিযানের ধারাবাহিকতায় অভিযান চালিয়ে মামলার তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন, কর্ণফুলী থানার বড় উঠান, ফাজিলহাট এলাকার বাসিন্দা সেতু দাস ওরফে সালাউদ্দিন (৪৩), কুমিল্লার দাউদকান্দি থানার আউডবাগ, ভোলানগর এলাকার মোহাম্মদ আলী (৪৩) এবং কুমিল্লার মুরাদনগর থানার রামচন্দ্রপুর, বণিকপাড়া এলাকার দেবব্রত বণিক ওরফে বলাই বণিক (৩৭)।
গ্রেপ্তার সেতু দাস ওরফে সালাউদ্দিনের পিতার নাম সাদন দাস ওরফে আবদুর রহিম এবং মাতার নাম মৃত রঞ্জু দাস। মোহাম্মদ আলীর পিতা মৃত মো. আছমত আলী ও মাতা সাজিয়া বেগম। অপর আসামি দেবব্রত বণিক ওরফে বলাই বণিকের পিতা বাদল বণিক এবং মাতা শুক্লা বণিক। তিনি বর্তমানে চট্টগ্রাম নগরীর কোতোয়ালি থানাধীন হাজারীগলি এলাকার ৩২ নম্বর বণিক ভবনের চতুর্থ তলার ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করছিলেন।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উদ্ধার করা ১৪ লাখ ৮৮ হাজার ৮০০ টাকা চোরাই স্বর্ণ বিক্রির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। একই সঙ্গে স্বর্ণের ওজন মাপার ডিজিটাল নিক্তিটিও জব্দ করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার তিন আসামির বিরুদ্ধে আকবরশাহ থানায় দণ্ডবিধির ৪৫৪ ও ৩৮০ ধারায় মামলা রয়েছে। অভিযান শেষে তাদের থানায় নিয়ে আসা হয়। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে যথাযথ পুলিশি নিরাপত্তায় তাদের বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।



