খিলক্ষেতে ফুটপাত ও রেলওয়ের সরকারি জমি দখল করে চাঁদাবাজি বন্ধে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ চাই

মো: কামরুল হাসান: ঢাকার উত্তর সিটি কর্পোরেশনের অন্তর্গত খিলক্ষেত এলাকায় ফুটপাত ও বাংলাদেশ রেলওয়ের সরকারি জমি দখল এবং চাঁদাবাজির অভিযোগ নিয়ে জনমনে উদ্বেগ বাড়ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব কর্মকাণ্ডে বিভিন্ন গ্রুপের প্রভাব ও আধিপত্য বিস্তারের প্রতিযোগিতা রয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, খিলক্ষেত থানা বিএনপির আহ্বায়ক এস এম ফজলুল হকের প্রভাববলয়কে কেন্দ্র করে শহীদুল ইসলাম খোকনকে ঘিরে একটি গ্রুপ এবং বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত নেতা শাহিনুর আলম মারফত ও খিলক্ষেত থানা বিএনপির আহ্বায়ক সৈকত উল ইসলামের প্রভাববলয়কে কেন্দ্র করে মামুনকে ঘিরে আরেকটি গ্রুপ সক্রিয় রয়েছে। এসব অভিযোগের সত্যতা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা জরুরি।
প্রশ্ন হলো—সরকারি সম্পত্তি কি কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর ব্যক্তিগত আয়ের উৎস হতে পারে? ফুটপাত সাধারণ মানুষের চলাচলের জন্য, আর রেলওয়ের জমি রাষ্ট্রের সম্পদ। এসব জায়গা অবৈধভাবে দখল করে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করা হলে তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
আমি মোঃ কামরুল হাসান, খিলক্ষেতের একজন সচেতন নাগরিক ও মানবাধিকারকর্মী হিসেবে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, বাংলাদেশ রেলওয়ে, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি—
১. ফুটপাত ও রেলওয়ের সরকারি জমি দখলের অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করতে হবে।
২. চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় ও ভূমিকা প্রমাণের ভিত্তিতে শনাক্ত করতে হবে।
৩. রাজনৈতিক পরিচয় বা প্রভাব বিবেচনা না করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।
৪. সাধারণ মানুষের চলাচল, নিরাপত্তা ও সরকারি সম্পত্তির সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।
আমার অবস্থান কোনো ব্যক্তি বা দলের বিরুদ্ধে প্রতিহিংসা নয়; আমার অবস্থান অন্যায়, অবৈধ দখল ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে। অপরাধী যে-ই হোক, তার পরিচয় নয়—প্রমাণ ও আইনের ভিত্তিতেই বিচার হতে হবে।
খিলক্ষেতকে দখলদার ও চাঁদাবাজমুক্ত, নিরাপদ এবং জনবান্ধব এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমার প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে, ইনশাআল্লাহ।



