অপরাধময়মনসিংহ

ময়মনসিংহে পতিতা নেত্রী লাভলীর অপরাধ সাম্রাজ্যে গড়েছেন অঢেল সম্পদের পাহাড়

নিজস্ব প্রতিবেদক: ময়মনসিংহের গাঙ্গিনারপাড় এলাকায় অবস্থিত পতিতা পল্লীতে লাভলী বেগম একজন প্রভাবশালী সর্দারনী এবং একটি সংগঠনের স্বঘোষিত সভাপতি হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে অন্যান্য যৌনকর্মীদের নির্যাতন ও হয়রানি অপ্রাপ্ত বয়স্ক কিশোরীদের জোর পুর্বক দেহ ব্যবসায় বাধ্য করাসহ বিভিন্ন অপকর্ম করে অঢেল অর্থ সম্পদের পাহাড় গড়ার অভিযোগ উঠেছে। তার এসব সম্পদের বিষয়ে সরকারের সংস্থার গুলো অবগত আছেন কি না এ নিয়ে বিভিন্ন মহলে চলছে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা।

পতিতাপল্লির পতিতা নেত্রী সর্দানী লাভলীর আয়ের সাথে সংহতি বিহীন অঢেল সম্পদের পাহাড় নগরবাসীকে হতবাক করে দিয়েছে। সুত্র মতে তার ৮ থেকে ১০টি গাড়ী এবং বাড়ী,রয়েছে। সরকারের রাজস্ব ফাকি দিয়ে প্রতি হাজারে দৈনিক ১০টা লভ্যাংশ পরিশোধ শর্তে কোটি টাকার সুদের দাদন ব্যবসা পরিচালনা করছেন।

যৌনকর্মী লাভলীর বিভিন্ন অপরাধ কর্মকান্ডের আলোচিত ঘটনা ধামাচাপা পড়ে যাওয়ার কারণ একাধিক সংবাদ কর্মীর অনুসন্ধান কালে তথ্য সূত্রে উঠে এসেছে অপরাধ জগতের নিয়ন্ত্রক যৌনকর্মী পতিতা নেত্রী লাভলী কতশত কোটি টাকার মালিক তার হিসেব সরকারের দায়িত্বশীল সংস্থা গুলোরও জানা নেই এমন দাবীও উঠেছে।

অভিযোগ সুত্রে জানা যায় যৌনকর্মী পতিতা নেত্রী সর্দানী লাভলীর ময়নসিংহ পতিতালয়ে হিরু মিয়ার
২৫টি কক্ষ বিশিষ্ট চার তলা বাড়ীর পজিশন ক্রয় করেছেন। এ ছাড়াও একাধিক দোকান রয়েছে, প্রতি মাসে মাদক, নারীর দেহ ব্যবসা এবং ঘর ভাড়া থেকে পনের বিশ লক্ষ টাকা আয় হচ্ছে। নগরীর আমলাপাড়ায় রয়েছে পাঁচ তলা বাড়ী, কালীবাড়ি এলাকায় ধনাঢ্য ব্যবসায়ীর নির্মাণ করা বহুতল বাড়ীর ৫ম তলা ফ্ল্যাট কিনে নিয়েছেন তিনি। রামকৃষ্ণ মিশন রোডে ৫ম তলা বাড়ী করে দিয়েছেন তার ব্যবসা দেখাশোনা করা কথিত ভারুয়াকে। (সেই ভারুয়াার নাম এবং তার কৃতকর্মের ফিরিস্তি পরে এক সময় প্রকাশিত হবে)। সদর উপজেলার দাপুনিয়া কসাইবাড়ী এলাকায় ক্রয় করেছেন দুটি বাড়ী । নেত্রকোনা জেলার মদন থানা এলাকায় তার ক্রয় করা বাড়ী, ফ্লাট সহ রয়েছে ৩/৪ একর জমি।
লাভলীর ৮টি ক্রয় করা মাক্রোবাস (হায়েজ) ভাড়ায় চালিত হচ্ছে, তার নিজের চলাচলের জন্য রয়েছে ক্রয় করা একটি প্রাইভেট কার। তিনি সোনালী ব্যাংক, রুপালী ব্যাংক, ও ইসলামী ব্যাংক এমন তিনটি ব্যাংকে একাউন্ট পরিচালনা করেন বলে জানা গেছে।
স্বর্ণের দাম উঠা করার কোন এক সময়ে তার একাধিক যৌন-সহকর্মীদের সাথে আলোচনা কালে সে নিজের মুখে বলেছে তার রয়েছে ৮ কেজি ওজনের স্বর্ণালংকার। স্বর্ণ বা মূল্যবান আমানত রাখার বিনিময়ে কোটি টাকার সুদের দাদন ব্যবসা করছেন পতিতাপল্লি ছাড়াও এই নগরীতে। প্রতি হাজারে দৈনিক দশ টাকা লাভ প্রদানের শর্তে এই সুদের ব্যবসা চালাচ্ছেন। তার কোন সমস্যা বা অনুপস্থিতি কালে দুলালের বাড়ীর হাসনা অবৈধ ব্যবসা দেখাশোনা করে। যৌনকর্মী হাসনা ৩ (তিন)টি নতুন মেয়ে উঠিয়েছে, জানা যায় প্রতিটি নতুন মেয়ে উঠানোর জন্য তিন লক্ষ টাকা লাভলীকে দিয়ে যৌন কর্মের অনুমোদন নিতে হয়।
লাভলীর যৌন ব্যবসার জন্য তার নিজের রয়েছে ১৫টি মেয়ে এদের মধ্যে ৫ নাবালিকা মেয়ে আছে। শারিরীক ভাবে সুঠাম দেখার জন্য এদের ঔষধ খাওয়ানো হয় বলে জানা গেছে। লাভলী তার নিজের জন্য প্রতিদিন চারটি ফেন্সিডাইল সেবন করেন এ ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে তিনি অভ্যস্ত হয়ে গেছেন বলে জানান। তার অবৈধ আয়ের উৎস, অপরাধ জগতের ফিরিস্তি পর্যায়ক্রমে প্রকাশিত হবে পরবর্তী প্রতিবেদনে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button