
স্টাফ রিপোর্টার: (এসপিবিএন)-এ কর্মরত পুলিশের ডিআইজি ড. সোহেব রিয়াজ আলম (বিপি-৬৯৯৮০৭৭৫৭) বিরুদ্ধে অভিযোগ করে, নাছিমা নাজনীন বলেন, তাঁর সেল্টারে তারই বড় ভাবি আঞ্জুমান আরা এবং বড় ভাই সিহাব রিফাত আলম তাদের ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীদেরকে নিয়ে ৪টি ফ্লাট জোরপূর্বক দখল সহ লুটপাট করেন। অপরদিকে স্বামী ইঞ্জিনিয়ার মিজানুর রহমান, আঞ্জুমান আরার ফ্লাটের নির্মান কাজ বাবদ পাওনা (১ কোটি ৯২ লক্ষ ৫৪ হাজার ৯৪২) টাকা এবং বাসা থেকে চুরি-লুট করা সামগ্রী মূল্য ৩৬ লক্ষ ৫৬ হাজার টাকার আসবাবপত্র মালামাল গয়না সহ আত্মসাৎ করেন, এবং বিভিন্ন সময়ে প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করেন বলে, ডিআইজি সোয়েব ও আনজুমান আরার বিরুদ্ধে অভিযোগ নাছিমা নাজনীন। ফ্লাট দখল ও লুটের অভিযোগের আলেকে এসআই গোলাম মাওলা সহ কয়েকজন এসআই তদন্ত করলেও ডিআইজি সোহেব রিয়াজ আলমের ভয়ে প্রতিবেদন জুলে আছে বাড্ডা জোনের এডিসির কাছে। নাছিমা আরো বলেন, আঞ্জুমান আরার সাথে আমার হাজবেন্ড, ইঞ্জিনিয়ার মিজানুর রহমান (সাউথল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড) কোম্পানীর মাধ্যমে উভয়পক্ষ একমত হয়ে বিগত ১৩ ইং সালে আবাসিক ভবন নির্মাণের চুক্তি (দলিল) করেন।

(ডিআইজি সোহেব রিয়াজ আলম) যার ভয়ে এসআই তদন্ত প্রতিবেদন দিচ্ছে না।
ডিআইজি ড. সোয়েব রিফাত আলমের বক্তব্য: নাছিমা নাজনীনের অভিযোগের বিষয়ে গত (০৫-০৭-২৬ ইং) ডিআইজি ড. সোয়েব রিফাত আলমের সাথে তাঁর পার্সোনাল মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মিজানুর রহমান এবং তাঁর ওয়াইফ নাছিমা নাজনীন গোপনে ভুয়া দলিল দিয়ে চুক্তি করে নিজের নামে ফ্লাট বিক্রি করতো, তাই ভাইয়েরা জানতে পেরে তাদেরকে সরিয়ে দেন ফ্লাট থেকে। ওই লোকটায় (মিজান) একজন প্রতারক ও যে, কি প্রতারণা করছে তা আপনারা জানেন না, ও যে কি প্রতারণা করছে তা তো আপনাদেরকে কেউ দেয়নি (বলেনি) ওরা সব জায়গায় বানাইয়ে বানাইয়ে কথা বলে। ওরা ভাবছে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ দিলে ওদের বলবো (ভাবিদের) ফ্লাট দিয়ে দিতে! আপনি ভাবি আঞ্জুমান আরাকে ফোন দিলে সব জানতে পারবেন, তাহলে আর আমাকে প্রশ্ন করা লাগবেনা। আমার ভাবি তাদের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারতো, কিন্তু করেনি।

ঘটনার মূল ভবন
আপনার ভয়ে থানা তদন্ত করেনা, থানায় জিডি ও মামলা নেয়না, থানার ওসি বলেন ডিআইজি স্যার ফোন করে বলে দিছেন তদন্ত করা যাবে না, পুলিশ দিয়ে ধরে নেওয়ার হুমকি- এ সবের প্রশ্নে ডিআইজি বলেন, এটা কি ঠিক? আরো আমি আছি বিধায় তাদের বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা দেয়নি ভাবিরা। আমি এগুলোর সাথে জড়িত না বা অভিযুক্ত না,

(রিফাত আলম) অন্যতম অভিযুক্তকারী ডিআইজির বড় ভাই
অবশ্যই আমি নির্দোষ এবং এই বিষয়ে আমি কোনভাবেই দায়ভার না। আপনি পুলিশের একজন উপরস্থ কর্মকর্তা হিসেবে পারিবারিক এ বিষয়টা সমাধান করতে পারতেন কিনা প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, আমি সমাধান করতে চাই না আমার ফ্যামিলির ইস্যুতে এটা হবে না।
বাড্ডা থানার এসআই গোলাম মাওলার বক্তব্য: এদিকে বাড্ডা থানার এসআই গোলাম মাওলার পার্সোনাল মুঠোফোনে গত (০৭-০৬-২৬ ইং) ৮: ১৪ মিনিট (পিএম) অভিযোগের তদন্তের ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটাতো আমার কাজ না, রিপোর্ট দেওয়ার দায়িত্ব আমার না, এটা বাড্ডা জোনের এসি স্যারের। সে (এসি স্যার) মনে হয় প্রতিবেদন রেডি করছে, আমি যতটুক জানি, আমাদেরও স্টেটমেন্ট নিছে, কাজ শেষ পর্যায়ে। আবার বলেন যে, এ বিষয়ে তো বাদী নাছিমা নাজনীনের কাছ থেকেও জানতে পারেন।

(আঞ্জুমান আরা ডলি) প্রধান অভিযুক্তকারী ভবনের মালিক এবং ডিআইজির ভাবি।
বাড্ডা জোনের (এসি) সহকারী পুলিশ কমিশনারের বক্তব্য:
সহকারী পুলিশ কমিশনারের মুঠোফোনে গত (০৭-০৬-২৬ ইং) ৮: ১৯ মিনিট (পিএম) তদন্ত প্রতিবেদন সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আসলে আমার তো ৮০ জন সাব-ইন্সপেক্টর, সবগুলো মনে রাখা টাব ব্যাপার। কার ভয়তে বা কোন কারণে প্রতিবেদন আটকে আছে? জবাবে বলেন, কোট থেকে অনুমোদন পেলে তদন্ত করে। এখন কোন বিষয়ে অভিযোগ কাগজপত্র না দেখে আমি কিছু বলতে পারব না, তবে এ বিষয়ে এসআই গোলাম মাওলার সাথে কথা বলে আগামীকালকের সব ডিটেলস জানাবো। পরের দিন (এসি)র কাছে ডিটেলস জানতে ফোন দিলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি, পরবর্তীতে ব্যাকলও দেয়নি। এসি- বলছিলেন, এই রিলেটিভ একটা অভিযোগ আমার কাছে আছে (এটার কথাই বাদী নাছিমা নাজনীন বলেছেন, বাড্ডা জোনের অতিরিক্ত কমিশনার (এডিসি) বরাবর আমার ফ্লাট চুরি-লুট হওয়ার পরে একটি অভিযোগ দায়ের করি, কিন্তু অভিযোগের বিষয়ে (এসি) স্যার তদন্ত করে সাক্ষ্য গ্রহণ করলেও আমাকে এখন পর্যন্ত কোন তদন্ত প্রতিবেদন দেয়নি)।
নাছিমা নাজনীনের অভিযোগের শুরুলগ্ন: চুক্তি অনুযায়ী ইঞ্জিনিয়ার মিজানুর রহমান, ভবনের নির্মাণ কাজ শুরু করেন, কিন্তু ২০১৩ ইং সাল থেকে ২০১৮ ইং সাল পর্যন্ত নির্মাণ কাজের ১টি বিল বাবদ পাওনা টাকা সর্বমোট- ৯৯ লক্ষ্য ৫২ হাজার ৯৪২ টাকা, আঞ্জুমান আরা পরিষোধ না করে বিভিন্ন তালবাহানা করে এবং ডিআইজি সোহেব রিয়াজ আলমের ক্ষমতার পাওয়ার দেখিয়ে হুমকি-ধামকি, ভয়-ভীতি প্রদান করেন। বলেন তুই কিসের টাকা পাবি? তুই কোন টাকা পাবি না! পারলে আমার থেকে টাকা উঠায় নিস। প্রকাশ থাকে যে, উক্ত বিল কপিতে আঞ্জুমান আরার (০৬-০৬-২০ ইং) তারিখ এবং সিগনেচার প্রমাণ বহন করেন, তাদের আবাসিক ভবনের কাজ, ২০১৩ ইং সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত চলছিল।
দ্বিতীয়বারে কাজ শুরুর ঘটনা-অভিযোগ:
আনজুমান আরা, দ্বিতীয়বারে আবার (০৩-১০-২১ ইং) ভবন নির্মাণ কাজের চুক্তি হয় এবং (০৩-০১-২২ ইং) সালে, মো: আনিসুর রহমান এবং মো: আব্দুস সাত্তারের সাথে (আম-মোক্তা দলিলের মাধ্যমে বন্ধ হওয়া আবাসিক ভবনের চুক্তি করে নির্মাণ কাজ শুরু করেন। একই সাথে আঞ্জুমান আরার কাজ থেকে (১০-০২-১৩) ইং সালে, প্রথম ১টি ফ্লাট ক্রয়ের জন্য যৌথ চুক্তি হয়- (৩১ লক্ষ ৫ হাজার) টাকার বিনিময়ে, আমি এবং আমার হাজবেন্ড মিজানুর রহমানের নামে- যাহার মূল্যের অর্ধেক (১৫ লক্ষ ৫০ হাজার) টাকা সাথে সাথেই পরিশোধ করি, অবশিষ্ট (১৫ লক্ষ ৫০ হাজার) টাকাও পরবর্তীতে ব্যাংকের মাধ্যমে পরিশোধ করেন। সেই ফ্ল্যাট থেকে আঞ্জুমান আরা এবং তার হাজবেন্ড রিফাত আলম, ডিআইজি সোয়েব রিয়াজ আলমের সহযোগিতায় স্থানীয় সন্ত্রাসীদের নিয়ে আঞ্জুমান আরা আমাদেরকে উচ্ছেদ করে দেয়, তখন থেকেই অন্য জায়গায় ভাড়া বাসায় নিয়ে ও অসহায়ভাবে মানেবতার জীবন যাপন করতেছি, এমনটাই ভুক্তভোগী নাছিমা নাজনীন জানান।
অপরদিকে আমার হাজবেন্ড ইঞ্জিনিয়ার মিজানুর রহমান, ভূমিদস্যু ও প্রতারক আঞ্জুমান আরার থেকে দ্বিতীয় ধাপে নির্মাণ কাজ বাবদ (৩০-১০-২১ ইং) সাল থেকে (৩০-০৩-২৩ ইং) সাল পর্যন্ত (৯৩ লক্ষ ২০) হাজার টাকা পাবে। সেই টাকাও এখন পর্যন্ত পরিশোধ করেননি, টাকা চাইলে উল্টো আমাদেরকে ডিআইজি সোহেব রিয়াজ আলমের ক্ষমতা দেখিয়ে, বলেন, টাকার ব্যাপারে ফারদার কোন কথা বললে, তোদেরকে গুম করে ফেলব।
আমাদের উপরে অত্যাচার, নির্যাতন এবং বিভিন্ন ভয়-ভীতি হুমকি ধামকি প্রদান করতে থাকেন। শুধু কথায় কথায় আঞ্জুমান আরা এবং তার হাজবেন্ড সিহাব রিফাত আলম- ডিআইজি সোহেব রিয়াজ আলমের কথা বলে আমাদেরকে পুলিশ দিয়ে উঠিয়ে নিয়ে যাবেন বলে ভয়ে দেখায়, এবং মানসিক নির্যাতন হামলা করেন। শুধু তাই নয়, আমাদেরকে পুলিশ ও ভাড়াকৃত সন্ত্রাসী দিয়ে বিভিন্ন সময় হয়রানি সহ প্রতারণা করে আসছেন। ডিআইজির অবৈধ অর্জিত টাকা দিয়ে ১নং বিবাদী আঞ্জুমান আরা/২নং বিবাদী রিফাত আলম সহ আরো অজ্ঞাত ৮ থেকে ১০ জন সন্ত্রাসীদের আমাদের পিছনে লেলিয়ে দেয়, তারা সবসময়ই আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও ক্ষতি সাধন করার চেষ্টা করেন।
ডিআইজি সোহেব রিয়াজ আলম কর্তৃক আঞ্জুমান আরা ও সিহাব রিফাত আলম সহ ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী নিয়ে (১৪-০৩-২০২৫ ইং) তারিখ, আনুমানিক দুপুর ১২:০০ ঘটিকার সময়ে আমার ক্রয়কৃত মালিকানাধীন ফ্ল্যাট বাসার বাহিরে গেলে, সেই সুযোগে ডিআইজির টাকায় লালন-পালনকৃত চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা ফ্লাট দখল ও লুটপাট করে সমস্ত মালামাল, আসবাবপত্র, নগদ অর্থ, স্বর্ণ অলংকার, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে যান।নিরুপায় হয়ে বাড্ডা থানায় আইনের আশ্রয় চাইলেও, ডিআইজি সোহেব রিয়াজ আলমের ক্ষমতার কারণে সেবা থেকে বঞ্চিত। বিভিন্ন হুমকি-ধামকি ও হয়রানির, পাওনা টাকা পাওয়ার জন্য, বে-দখল ফ্লাট দখল মুক্ত করার জন্য এবং লুটপাটের ক্ষতিপূরণ পাওয়া সহ বিবাদীদের প্রতারণা থেকে বাঁচার জন্য আইনের সহায়তার জন্য সর্বপ্রথম বিগত (২৮-০৮-২০২৩ ইং) সালে, বাড্ডা মডেল একটি থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করি- যাহার জিডি নং (২২৬৬/২৩), আইও ছিলেন, এসআই নিরস্ত্র মো: সাদেক মিয়া (বিপি-৭৬৯৬০৩৩৮৫১), মোবা: (০১৭১৬৯২৩০৬৬), এবং তৎকালীন অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ছিলেন, মো: আবদুল কাইউম (বিপি-৭২৯৯০৬৫৬০৩), থানা কর্তৃপক্ষ অভিযোগের আলোকে তদন্তপূর্বক কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি। পরবর্তীতে বাড্ডা থানায় আরও একটি জিডি করি, সেই জিডির আই ছিলেন, এসআই নিরস্ত্র মো: হানিফ (০১৭১৭২৬২৯৬০), বিগত (০৯-১০-২৫ ইং) ভূমিদস্যু ও সন্ত্রাসী আনজুমান আরার সহযোগী, সেতু ওরফে কালা শিপু (৩৮), মাঈনুল (৪০), বিভিন্ন হুমকি ও প্রাণনাশের ভয় দেখানোর অভিযোগ নিয়ে বাড্ডা থানা একটি সাধারণ ডায়েরি করি- যাহার জিডি নং (৮১০/২৫), আইও ছিলেন, এসআই নিরস্ত্র মাহমুদুল হাসান (বিপি-৯০১৭১৯৯৮০) মোবা: (০১৭০৮৩৯২৪১০), ওসি ছিলেন, মোহাম্মদ ইয়াসিন খন্দকার (বিপি- ৮৫১৩১৪৮৭৮৩)। পরবর্তীতে, (২২-০৯-২৫ ইং), ৩৬ শহীদ ক্যাপ্টেন মনসুর আলী স্মরণীয়, রমনার পুলিশ কমিশনার বরাবর একটি অভিযোগ দায়ের করি, (অভিযোগটি পুলিশ কমিশনার অফিসের মুনির কর্তৃক (২২-০৯-২৫) ইং রিসিভ করেন), উক্ত অভিযোগটি উপ-পুলিশ কমিশনার গুলশান জোন কর্তৃক, বাড্ডা থানার এসআই গোলাম মাওলা তদন্ত করলেও কোন তদন্ত প্রতিবেদন মেলেনি।
জার্নালিস্ট হিউম্যান রাইচ এন্ড ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান বরাবর, ন্যায় বিচার ও ক্ষতিপূরণ পাওয়ার প্রসঙ্গে একটি আবেদন করলে, গত সপ্তাহে মানবাধিকার ও সাংবাদিকদের টিম নিয়ে বাড্ডা থানায় গেলে, তাদের সামনেই ওসি তদন্ত করার জন্য আবারো এসআই গোলাম মাওলাকে দায়িত্ব দেন, তিনি তদন্ত করলেও এখন পর্যন্ত কোন প্রতিবেদন দেয়নি। এভাবে থানায় অভিযোগ আমলে নেয় কিন্তু তদন্ত করেন না, আবার তদন্ত করলেও প্রতিবেদন দেয়না, আবার কোন কোন সময় অভিযোগ করতে আসলে, আমলে না নিয়ে থানা কর্তৃপক্ষ উল্টো হুমকি- ধামকি দিয়ে পাঠিয়ে দেয়। থানার ওসিগন এবং তদন্ত কর্মকর্তারা শুধু একটা কথাই বলেন যে ডিআইজি স্যার থানায় ফোন করে দিয়েছেন, আপনার ঘটনার তদন্ত বা কোন ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না। একজন অসৎ পুলিশ কর্মকর্তা ডিআইজির জন্য আজ আমরা অসহায়। গত (২৪-০৬-২৬ ইং) তারিখে, মাননীয় আইনমন্ত্রী এবং মাননীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর বরাবর একটি আবেদন করেন, যাহার অনলিপি প্রদান করেন, সচিব-মাননীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর কার্যালয়, বাংলাদেশ সচিবালয়-ঢাকা, সচিব-জনপ্রশাসন মন্ত্রীর কার্যালয়, বাংলাদেশ সচিবালয়-ঢাকা, পুলিশ মহা পরিদর্শক (আইজিপি), এডিশনাল আইজিপি (এডমিন), পুলিশ ভবন, সম্পাদক-অপরাধ বিচিত্রা সহ সকল গণ মাধ্যম। বিস্তারিত ঘটনা আসছে…অপরাধ বিচিত্রার পাতায় চোখ রাখুন, আগামী পর্বের জন্য।



