চট্টগ্রাম-নোয়াখালীতে অভিযান চালিয়ে ১৪ চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১

দুলাল শিকদার: চট্টগ্রাম মহানগর মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কোতোয়ালি থানা পুলিশের ধারাবাহিক অভিযানে চোরাই ১৪টি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় মোটরসাইকেল চোর চক্রের অন্যতম সক্রিয় সদস্য মো. ইমরান হোসেন (২৮)-কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১২ অক্টোবর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোতোয়ালি থানাধীন কাঠের বাংলো এলাকা থেকে মোটরসাইকেল চোর চক্রের সদস্য মো. সুমন (৩০)-কে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম ও নোয়াখালীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে চারজন আসামিসহ ছয়টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় ১৪ অক্টোবর পেনাল কোডের ৪১১ ধারায় একটি মামলা করা হয়।
পরবর্তীতে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গত ১৭ অক্টোবর অভিযান চালিয়ে আরও দুটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। এ সময় চোর চক্রের অন্যতম সক্রিয় সদস্য মো. ইমরান হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ইমরানের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চট্টগ্রামের জোরারগঞ্জ থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও চারটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া মোটরসাইকেলগুলোর মধ্যে রয়েছে অ্যাপাচি আরটিআর ১৫০ সিসি, হিরো হোন্ডা হর্নেট ১৫০ সিসি, হিরো হোন্ডা হাঙ্ক ১৫০ সিসি ও জিক্সার মনোটোন ১৫০ সিসি।
এ ছাড়া নোয়াখালীর চরজব্বর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে কোতোয়ালি থানার একটি মামলায় চুরি হওয়া ১১৫ সিসির একটি গ্ল্যামার মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। একইভাবে চট্টগ্রামের মীরসরাই থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি বাজাজ পালসার ১৫০ সিসি মোটরসাইকেল উদ্ধার করে পুলিশ।
সব মিলিয়ে ধারাবাহিক অভিযানে মোট ১৪টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার মো. ইমরান হোসেনের বিরুদ্ধে জোরারগঞ্জ থানায় ২০২৫ সালের ৩০ আগস্ট পেনাল কোডের ৩৭৯ ধারায় দায়ের করা একটি মামলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের সার্বিক দিকনির্দেশনায় কোতোয়ালি থানা পুলিশের এ অভিযান পরিচালিত হয়। চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার ও চোর চক্রের সদস্যদের শনাক্তে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।



