
নিজস্ব প্রতিবেদক: সিলেট সদর খাদিম নগর বর্তমান সিলেট সিটি কর্পোরেশন 34 নং ওয়ার্ড এলাকা দিন শাহ পরান থানা অন্তর্ভুক্ত প্রকাশ ইয়াবা গাঁজা বিক্রি জুয়া খেলা তীর জুয়া খেলা চালিয়ে যাচ্ছে এতে এ বিষয়ে তথ্য দিয়ে পুলিশ প্রশাসন মহোদয়ের সহযোগিতা করার চেষ্টা করি, এবং পত্র পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করায় বিগত কয়েক মাস আগে আফজাল হোসেন,সাজন, পিতা মালাই, আখতার হোসেন পিতা মৃত জলিল মিয়া সুজন ভাড়াটিয়া খুনি, পিতা সুহেল আহমদ। গং হুমকি দেয় যতগালিগালাজ করে একপর্যায়ে আমার বাড়ীতে এসে হুমকি দেয়, এ বিষয়ে পুলিশ কমিশনার ওসি সাহেবের কে অবগত করি পর পর ওয়ান লাইন নিউজ প্রকাশ হয় বিষয়টি সিলেট পুলিশ কমিশনার জনাব মোঃ আব্দুল কুদ্দুস সাহেব আমাকে মোবাইল ফোন করেন এবং বলেন আখতার হোসেন আফজাল গং দের কোথায় আছে, তথ্য দিতে,আমি দিয়েছি ও শাহ পরান থানার ওসি মনির সাহেব ফোন করেন এবং বলেন আখতার হোসেন আফজাল গং কোথায় আছে তথ্য দিতে এবং সুরমা গেইট তদন্ত কর্মকর্তা ইনচার্জ উনি ফোন করে বিস্তারিত তথ্য দিতে আমি দেয়,তখন পুলিশ কর্মকর্তা গং আনুমানিক রাত 9,, সময় ওসি মনির সাহেব ফোন করেন ভাই আসামি আখতার কে আটক করা হয়েছে, পর দিন ওসি সাহেব ফোন করেন বলেন একটি লিখিত অভিযোগ করতে, এতে আমি সময় মতো অভিযোগ পৌঁছাতে পারেনি বিদায় ছাড়া পায় ছাড়া পেয়ে এসে পুর্ন রায় হুমকি গালিগালাজ করতে থাকে এক পর্যায়ে সে সন্ত্রাসী ভাড়াটিয়া মাদক ব্যবসায়ী মাদক সেবন কারী সদস্য গং উছমানী মুক্তিযোদ্ধা আদর্শ গুচ্ছ গ্রাম এলাকার ভেতরে আবেদ আলীর বাড়ির সামনে প্রকাশ্যে অস্ত্র নাইফ সহ আমার উপর হামলা চালায় আমার সাথে ছিলেন মোঃ সুন্দর আলী ড্রাইভার জাবেদ আলী তার বউ সহ ধরা ধরি করে এদের হাত থেকে রক্ষা করে এবং আমি থানায় ফোন করিলে অনেক সময় পার এস আই মামুন আসেন এসে এলাকার বাসিন্দারা সবার সামনে বলেন থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করার জন্য এই বলে চলে গেলেন পরবর্তী সবাই কে অবগত করি এবং লিখিত সাধারণ ডায়েরি করি এতে কোনো সুরাহা হয়নি ।এমতাবস্থায় পর পর আমার লাগানো চারা রোপণ করা অনেক গাছ কেটে দেয় , এ বিষয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি করি কিন্তু এখনো পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি,বরং আমাকে সুরমা গেইট পয়েন্ট আব্দুর রহিম তার বোন সুজিনা বেগম তাদের জায়গার বিরুদ্ধে এ বিষয়ে আলোচনা করি চায়ের দোকানে সামনে বসে ঠিক এই সময় আফজাল হোসেন আখতার গং আমাকে দেখে এগিয়ে এসে খুব খারাপ আচরণ করে এবং বলে এখানে নাইফ বের করে ফাড়ায়া মেরে ফেলব এ সময় আব্দুর রহিম তার বোন নিষেধ বাধা দিলে চলে যায় যাওয়ার সময় হুঁশিয়ার উচ্চারণ করে মামলা দিয়ে কি করবে আমাদের কে পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ভেতরে মেরে ফেলবে এভাবে হুমকি দেয় এ বিষয়ে পুলিশ কে জানালে কোনো সুরাহা হয়নি এর কিছুদিন পর আমাদের সদস্য আব্দুর রহিম লালখা টঙ্গী বাসিন্দা ও সুন্দর আলী ড্রাইভার তাদের কে দেখে আফজাল হোসেন আখতার গং বলে সাংবাদিক ও জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন সদস্য তার এক হাত এক পা কেটে ফেলবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তাদের কে, এবং বিগত 5,5,2026, ইং তারিখ রাত আনুমানিক 10, ঘটিকার সময় সিরাজ নগর এলাকার ভেতরে সিরাজ মিয়ার বাড়ি উনার ছেলে সিফার তার বোন সুমী বেগম আখতার হোসেন কে ধরে ,তাদের ঘরে আটকিয়ে রেখে আমাকে ডেকে বলে ভাই একটু হেল্প করেন থানায় ফোন করে পুলিশ এনে ধরিয়ে দিতে পরবর্তী থানায় ফোন করি ওসি সাহেবকে,দু দুইবার এতে এস আই আলংগীর ফোন করে বলেন মাইনুদ্দিন ভাই আমি জরুরী কাজে আছি এস আই মামুন ডিওটিতে রয়েছে আমি ফোন করে বিস্তারিত জানাই এবং ওয়ারসাফ লিখে মেসেজ করি দুই ঘণ্টা পর এসে সিরাজ মিয়ার বাড়িতে বসে সবার সামনে বলেন সাংবাদিক মোঃ মঈন উদ্দীন ফোন করেছে লিখে মেসেজ করেছে কি সমস্যা বলেন সুমী বেগম কে উপস্থিত এলাকার বাসিন্দারা কেউ কিছু না বলে সুমী বেগম বলে বিস্তারিত পরবর্তী সমাধান করে এস আই মামুন চলে যাচ্ছেন আমার বাড়ির সামনে দিয়ে এ সময় উপস্থিত সকলের সামনে পুলিশ এর সামনেই, আফজাল হোসেন, সাজন আখতার হোসেন সুজন ভাড়াটিয়া খুনি গং, আমার নাম ধরে ডাকে গালিগালাজ করে একপর্যায়ে বলে তকে যেন পাব এক হাত পা কেটে ফেলবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে ঠিক এ সময় আমার ওয়াইফ বলে রাখে আল্লাহ মারে কে এবং পুলিশ কর্মকর্তা মামুন কে প্রশ্ন করে পুলিশের সামনে প্রকাশ্যে হুমকি দেয় আপনারা কিছু বলছেন না, এসময় না শুনে চলে গেলেন,এর পর বিস্তারিত ঘটনা পুলিশ কমিশনার সহ পত্রিকার সম্পাদক মহোদয়ের নিকট অবগত করি ওয়ারসাফ লিখে মেসেজ করে পর দিন,6,5,2026, ইং তারিখে দুপুর বেলায় আফজাল হোসেন, সাজন, আখতার সুজন ভাড়াটিয়া খুনি গং সিরাজ নগর সিরাজ মিয়ার বাড়ি সুমী বেগম তার ঘরে বসে এলাকার বাসিন্দারা মিলে সুমীর সাথে বিবাদ শুরু মিমাংসা করে দেয়, তখন আফজাল হোসেন আখতার গং বলে অবগত করে যে সাংবাদিক জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন এর সদস্য মোঃ মঈন উদ্দীন কে এক হাত এক পা কেটে ফেলবো বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে এবং এলাকার বাসিন্দা পুতুল মিয়ার ঘরে বলে সাক্ষী করে আমার এক হাত এক পা চারদিনের ভেতরে, এ সময় উপস্থিত হেঁটে যায় আমার ওয়াইফ থাকে দেখে আবারো পুতুল মিয়া সাথে গল্প করে শুনায়, এ বিষয়ে সিলেট জেলা প্রশাসক ইউএনও পুলিশ কমিশনার বিভাগীয় পুলিশ কমিশনার মহোদয়ের নিকট ওয়ারসাফ লিখে মেসেজ করে বিস্তারিত কটনা বলি এবং আমার পত্রিকার সম্পাদক উনাদের কে বিস্তারিত তথ্য জানাই এতে আমি আমার পরিবার আতংকে রয়েছি যেকোনো সময় আফজাল হোসেন সাজন আখতার হোসেন সুজন ভাড়াটিয়া খুনি গং দের হামলার শিকার এতে পারে এতে সিলেট পুলিশ কমিশনার মহোদয়ের সুদৃষ্টি কামনা করছি যে এ বিষয়ে বিবেচনা করে আমার জানমাল রক্ষার্থে প্রাণ বাঁচাতে এগিয়ে আসুন এবং ইয়াবা ব্যবসায়ী গাঁজা ব্যবসায়ী জুয়ারি ভুংগা কারবারী গং দের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি বিনীত অনুরোধ রইলো মাদক থেকে যুবসমাজকে রক্ষা করুন জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন ও অপরাধ বিচিত্রা ক্রাইম তালাশ প্রতিদিন সিলেট বিভাগ থেকে বিশেষভাবে অনুরোধ রইলো



