বিয়ের ফাঁদ অত:পর মামলা

0
626

স্টাফ রিপোর্টার: ময়মনসিংহ জেলায় বিয়ের ফাঁদ পেতে অর্থ আতœসাত ও মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে এক নারীর বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ওই নারীর নাম ঝর্ণা আক্তার পপি (২৪)। সে ময়মনসিংহ জেলার মুক্তা গাছা থানার বিনোদ বাড়ি মানকোল গ্রামের কিতাব আলীর মেয়ে। সে টঙ্গী, উত্তরা ও সাভার এলাকার বিভিন্ন স্থানে  প্রতারণার জাল বিস্তার করেছে। এমন প্রতারক নারীর বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে নেই কোন তথ্য। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত প্রায় তিন বছর আগে একই গ্রামের জালাল উদ্দিনের ছেলে নূরুল ইসলাম সানোয়ারের সঙ্গে পরিচয় হয় পপির। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। প্রেমের সম্পর্ক চলাকালে পরিবারের সিন্ধান্ত না নিয়েই বিয়ে করেন তারা। বিয়ের কয়েক মাস পর স্ত্রীর পপি পরকিয়া প্রেমে জড়িয়ে পরেন। স্বামী সানোয়ার পরিকিয়া প্রেমের বিষয়টি জানতে পেরে স্ত্রী পপির পরিবারকে জানালে কোন ব্যবস্থা নেয় নি। এরই মধ্যে অন্তস্বত্তা হয়ে পড়েন পপি। ঘটনার কয়েক মাস পর পপি একটি কন্যা সন্তান প্রসবের এগারো দিন পর সন্তানের পিতা সানোয়ারের হাতে তুলে দেন। পরে স্থানীয়রা এ বিষয়ে কয়েকবার শালিশ করে তালাকের সিন্ধান্ত দেয়।

স্থানীয় আরো বলেন, পপির বিরুদ্ধে অভিযোগের অন্ত নেই। করেছেন একাধিক বিয়ে। বিয়ের পর নানা বিষয়ে টাকা দাবি করেন। স্বামী দিতে না পারলে শুরু হয় মানষিক যন্ত্রনা।

তাতেও টাকা বেড়িয়ে না এলে স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে আদায় করেছেন টাকা। এর আগেও ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা থানার কৃষ্ণনগর গ্রামের মোফাজ্জল হোসেনের ছেলে আজিজের কাছ থেকে একই কায়দায় আদায় করেন টাকা।

ভুক্তভোগী সানোয়ার বলেন, আমি পপির তৃতীয় স্বামী। আমার সাথে কয়েক বছর আগে বিয়ে হয় পপির। আমার প্রথম স্ত্রীর কথা জেনেও পপি আমাকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। আমি তাকে বিয়ে করে সংসার শুরু করি। বিয়ের কযেক মাস পর সহকর্মীর সঙ্গে ফের পরকিয়ায জড়িয়ে পড়ে পপি। আমি তাকে বাধা দেই।

পরে পারিবারিক সিন্ধান্তেই আমাদের তালাক হয়। তখন পপি গর্ভবতি ছিলো। আমার শিশু বাচ্চা ভুমিষ্ট হওয়ার এগারো দিন পর বাচ্চা আমাকে দিয়ে চলে যায়। এখন চার মাস পরে এসে টাকা পাঁচ লাখ টাকা দাবি করে। আমার বিরুদ্ধে বাচ্চা চুরির মামলা করেছে আদালতে। আমি এখন পালিয়ে বেড়াচ্ছি। আমার বাড়িতে এসে আমার পরিবারের লোকজনকেও মারধর করেছে।এ ঘটনায় আমরা বাবাও মামলা করেছে।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার মো: চান মিয়া বলেন, বিষয়টি সমাধানের জন্য বেশ কয়েকবার শালিশের আয়োজন করা হয়েছিলো। তাদের মধ্যে তালাক হয়েছে। কন্যা সন্তানটি তার পিতা সানোয়ারের কাছে রয়েছে।

অভিযুক্ত ঝর্ণা (মুঠোফোনে) বলেন, আমার সন্তান চুরি করে নিয়ে গেছে। আমি মামলা করেছি। ইউনিয়ন পরিষধের চেয়ারম্যান বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়ে থাকলেও আমাকে জানানো হয়নি। আপনার মাধ্যমে জানলাম।

Print Friendly, PDF & Email

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

4 + 1 =